মোঃ মানিক মিয়া,বিশেষ প্রতিনিধি।
রংপুর নগরীর হাজীরহাট থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও ওয়ারেন্ট তামিল কার্যক্রম জোরদার করেছে পুলিশ।এরই ধারাবাহিকতায় পৃথক অভিযানে ৫ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার, মহানগরী পুলিশ আইনে দুইজনকে আটক এবং আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে হাজীরহাট থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায় ৯ ই সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১১টা ৫০ মিনিটে হাজীরহাট থানাধীন বখতিয়ারপুর জেলেপাড়ার মুন্না টেলিকম দোকানের সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির (২৬) নামে এক যুবককে আটক করা হয়।পরে তার কাছ থেকে ৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক ওজন ০.৫ গ্রাম এবং বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।গ্রেফতার মনিরুল ইসলাম মনির বখতিয়ারপুর আদর্শ গ্রামের মোঃ আংগুর মিয়ার ছেলে।এ ঘটনায় হাজীরহাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ (১) সারণির ১০ (ক) ধারায় মামলা হয়েছে।
অন্য দিকে,একই দিন বিকেল আনুমানিক ৫টা ২০ মিনিটে হাজীরহাট থানাধীন উত্তম বানিয়াপাড়া এলাকায় জনৈক আলমঙ্গীরের ফার্নিচার কারখানার সামনে অভিযান চালিয়ে মোঃ আজম খান ওরফে নিরব (৩৪) ও মোঃ মাহামুদুল হাসান ওরফে রাব্বি (২১) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় হাজীরহাট থানায় নন-এফআইআর নং-৮৮/২৬ দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রংপুর মহানগরী পুলিশ আইন, ২০১৮-এর ৯০ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ১০ ই সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে ওয়ারেন্ট তামিল অভিযানে জলকরিয়া ও জগদীশপুর এলাকায় পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তারা হলেন জলকরিয়া এলাকার মোঃ দুলাল মিয়া এবং জগদীশপুর এলাকার শ্রী সম্পদ চন্দ্র রায়। তাদের বিরুদ্ধে যথাক্রমে সিআর-৯৩/২৬ ও সিআর-৭৭/২৫ মামলার ওয়ারেন্ট ছিল। গ্রেফতারের পর তাদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
হাজীরহাট থানা পুলিশ জানায় উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ),আরপিএমপি রংপুরের নির্দেশনা অনুযায়ী অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে থানা এলাকায় নিয়মিত ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকবিরোধী অভিযান এবং রাত্রীকালীন মোবাইল ডিউটি পরিচালনা করা হচ্ছে।পুলিশের ধারাবাহিক এসব অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ,ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে স্থানীয়ভাবে প্রশংসা পাওয়া যাচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকেও অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানানো হয়েছে।আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
.png)
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মোঃ মানিক মিয়া,বিশেষ প্রতিনিধি।
রংপুর নগরীর হাজীরহাট থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও ওয়ারেন্ট তামিল কার্যক্রম জোরদার করেছে পুলিশ।এরই ধারাবাহিকতায় পৃথক অভিযানে ৫ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার, মহানগরী পুলিশ আইনে দুইজনকে আটক এবং আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে হাজীরহাট থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায় ৯ ই সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১১টা ৫০ মিনিটে হাজীরহাট থানাধীন বখতিয়ারপুর জেলেপাড়ার মুন্না টেলিকম দোকানের সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির (২৬) নামে এক যুবককে আটক করা হয়।পরে তার কাছ থেকে ৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক ওজন ০.৫ গ্রাম এবং বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।গ্রেফতার মনিরুল ইসলাম মনির বখতিয়ারপুর আদর্শ গ্রামের মোঃ আংগুর মিয়ার ছেলে।এ ঘটনায় হাজীরহাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ (১) সারণির ১০ (ক) ধারায় মামলা হয়েছে।
অন্য দিকে,একই দিন বিকেল আনুমানিক ৫টা ২০ মিনিটে হাজীরহাট থানাধীন উত্তম বানিয়াপাড়া এলাকায় জনৈক আলমঙ্গীরের ফার্নিচার কারখানার সামনে অভিযান চালিয়ে মোঃ আজম খান ওরফে নিরব (৩৪) ও মোঃ মাহামুদুল হাসান ওরফে রাব্বি (২১) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় হাজীরহাট থানায় নন-এফআইআর নং-৮৮/২৬ দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রংপুর মহানগরী পুলিশ আইন, ২০১৮-এর ৯০ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ১০ ই সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে ওয়ারেন্ট তামিল অভিযানে জলকরিয়া ও জগদীশপুর এলাকায় পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তারা হলেন জলকরিয়া এলাকার মোঃ দুলাল মিয়া এবং জগদীশপুর এলাকার শ্রী সম্পদ চন্দ্র রায়। তাদের বিরুদ্ধে যথাক্রমে সিআর-৯৩/২৬ ও সিআর-৭৭/২৫ মামলার ওয়ারেন্ট ছিল। গ্রেফতারের পর তাদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
হাজীরহাট থানা পুলিশ জানায় উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ),আরপিএমপি রংপুরের নির্দেশনা অনুযায়ী অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে থানা এলাকায় নিয়মিত ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকবিরোধী অভিযান এবং রাত্রীকালীন মোবাইল ডিউটি পরিচালনা করা হচ্ছে।পুলিশের ধারাবাহিক এসব অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ,ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে স্থানীয়ভাবে প্রশংসা পাওয়া যাচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকেও অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানানো হয়েছে।আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন