সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক নাসা নিউজ।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারে, এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।আজ বৃহস্পতিবার ৩০ শে এপ্রিল সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে শুভ বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।তিনি বলেন দেশের প্রতিটি নাগরিক যাতে স্বাধীনভাবে ধর্মীয় রীতি-নীতি পালন করতে পারে এবং নিজ নিজ অধিকার ভোগ করতে পারে,এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণই আমাদের সরকারের প্রধান দায়িত্ব ও অঙ্গীকার।প্রধানমন্ত্রী বলেন ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না।তিনি বলেন ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না,অতীতেও তা করিনি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি সবাই সব ক্ষেত্রে সমান অধিকার ভোগ করবে, এটাই বর্তমান সরকারের নীতি।তারেক রহমান বলেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী প্রতিটি মানুষের জন্যই একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের আকাক্সক্ষা নিয়েই মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন।মুসলমান,হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিষ্টান সবাই মিলে লাখো প্রাণের বিনিময়ে এ দেশটা আমরা স্বাধীন করেছিলাম।তাই,এই স্বাধীন বাংলাদেশ আপনার,আমার ও আমাদের সকলের।বর্তমান সরকারের একটি রাজনৈতিক দর্শন "বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ" উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন বাংলাদেশে বারবার প্রমাণিত হয়েছে,একমাত্র বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই দেশের সকল বর্ণ,ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীর নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারে।তিনি আরও বলেন আপনারা কেউ নিজেদের কখনোই সংখ্যালঘু ভাববেন না।শুরুতেই সারা বিশ্বের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন প্রতিটি ধর্মই মানুষকে কল্যাণের দিকে আহবান করে।বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মগুরু মহামতি গৌতম বুদ্ধ তাঁর অনুসারীদের জন্য পঞ্চশীল নীতি দিয়েছিলেন।তিনি বলেন এই পঞ্চশীল নীতি হলো প্রাণী হত্যা না করা, চুরি না করা,ব্যভিচার না করা, মিথ্যা না বলা এবং মাদক থেকে বিরত থাকা।প্রেম,অহিংস এবং সর্বজীবে দয়াও বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা।প্রধানমন্ত্রী বলেন রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিক যার যার ধর্মীয় নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করলে, আমরা সকলে মিলে একটি মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ নির্মাণ করতে পারবো।শুভেচ্ছা বিনিময়কালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ,ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দিপেন দেওয়ান,প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু,বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, পার্বত্য জেলা বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, পার্বত্য অঞ্চলের বিএনপি মনোনীত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য প্রার্থী মাধবী মারমা এবং ড. সুকোমল বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।এ সময় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট ও বুদ্ধমূর্তির প্রতিরূপ তুলে দেওয়া হয়।সূত্রঃ বাসস
মতামত
অনলাইন জরিপ
জাতীয়
অর্থনীতি-ব্যাবসা
শফিকুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি ও ট্রানজিট বাণিজ্য সহজ করতে সীমান্ত বাণিজ্য সমন্বয় কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় পানামা-সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।রাজশাহী কাস্টমসের কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- রাজশাহী কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার শাফায়েত হোসেন,সোনামসজিদ স্থলবন্দর কাস্টমস স্টেশনের উপ-কমিশনার ওমর মবিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ একরামুল হক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ,সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানি ও রপ্তানি কারক গ্রুপের সভাপতি বাবুল হাসনাত দুরুল ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফ উদ্দিন ইতিসহ অন্যরা।সভায় সীমান্ত বাণিজ্য কার্যক্রম আরো গতিশীল ও সুশৃঙ্খল করা, সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি, রাজস্ব আদায় বাড়ানো, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।আলোচনা সভার আয়োজন করে সোনামসজিদ স্থল কাস্টমস শুল্ক স্টেশন।
বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক নাসা নিউজ। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আজ বুধবার ১১ ই ফেব্রুয়ারি থেকে টানা দুই দিন ঢাকাসহ সারা দেশের সব দোকান, বিপণিবিতান ও শপিংমল বন্ধ থাকবে।এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভা।সমিতির সভাপতি মোঃ নাজমুল হাসান মাহমুদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ করে দিতেই ১১ ও ১২ ই ফেব্রুয়ারি সব ধরনের দোকান ও শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এদিকে নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সরকারও টানা তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গেল ২৫ ই জানুয়ারি এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১১ ও ১২ ই ফেব্রুয়ারি সারা দেশের সরকারি,আধা-সরকারি,স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি দপ্তরে সাধারণ ছুটি থাকবে।একই সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও এই ছুটির আওতায় থাকবেন।এর আগে শ্রমজীবী মানুষ যাতে ভোট দিতে পারেন সে সুবিধা নিশ্চিত করতে ১০ ই ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
মোঃ মশিউর রহমান বিপুল,কুড়িগ্রাম। কুড়িগ্রামের মানুষ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ হোটেলে, রেস্তোরা,বাসা-বাড়ি ও পরিবহনে এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করেন।এছাড়া বহুদিন ধরে রান্নার জন্য কুড়িগ্রাম বাসীর প্রধান ভরসা সিলিন্ডার গ্যাস।কিন্তু গত ১-২ সপ্তাহ থেকে বাড়তি দামেও সঠিক সময়ে গ্যাস মিলছে না।এদিকে সরকারি দাম ১ হাজার ৩ শত ৬ টাকা হলেও ডিলার পয়েন্ট থেকে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ৩ শত থেকে ৫ শত টাকা বেশিতে।এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদরের এিমোহনী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানা বলেন গত কয়েক দিন থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে হিমশিম খাচ্ছি।কিন্তু না কিনি উপায় নাই বাড়িতে রান্না বান্না করবে কী দিয়ে।কুড়িগ্রাম পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা রতন চন্দ্র বলেন শহরে বসবাস করি বর্তমানে গ্যাস সংকটে পরিবারের রান্না করতে সমস্যা হচ্ছে। মাঝে মধ্যে টাকা দিয়েও গ্যাস সিলিন্ডার পাচ্ছি না।অপরদিকে কুড়িগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ শাপলা চত্বরে জান্নাত হোটেলের মালিক মুন্না বলেন গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।কিন্তু সেই তুলনায় তো খাবারের দাম বাড়াতে পারছি।বর্তমানে ব্যবসা করতে একটু লোকসান গুনতে হয়।কুড়িগ্রাম শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও যমুনা গ্যাসের ডিলার বদরুল আহসান মামুন জানান চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরো জানান ক্রয় মূল্যের সাথে পরিবহন খরচ ও স্বাভাবিক কিছু মুনাফা যোগ দিয়ে বিক্রি করছি।এতে আগের দামের তুলনায় সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্যাস সংকটে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি বন্ধে অভিযানে নেমেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।এবিষয়ে কুড়িগ্রাম ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ শেখ সাদী জানান প্রতিদিন আমরা অভিযান চলমান রেখেছি।এছাড়া যে সমস্ত ব্যবসায়ী বাজার সিন্ডিকেট তৈরি করে বর্তমান মুল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে,তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
অর্থনৈতিক ডেস্ক,দৈনিক নাসা নিউজ।টানা দুই দফা দাম বৃদ্ধির পর এবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা।এই দামে আজ শনিবার ১০ ই জানুয়ারি থেকে দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হবে।নতুন মূল্যে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা, ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৫ টাকায় বিক্রি হবে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে।তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ পরিবর্তিত হতে পারে।স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে রূপার দামও কমানো হয়েছে।২২ ক্যারেট রূপার প্রতি ভরি দাম কমিয়ে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট রূপা ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট রূপা ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা বিক্রি হবে।চলতি বছরে দেশের বাজারে রূপার দাম তিন দফা সমন্বয় করা হয়েছে।এর মধ্যে একবার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে,আর দুইবার কমানো হয়েছে।২০২৫ ইং সালে দেশে রূপার দাম মোট ১৩ দফা সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০বার দাম বেড়েছিল এবং মাত্র তিনবার কমানো হয়েছিল।
মিজানুর রহমান রিপন,কলাপাড়া,পটুয়াখালী।পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় তিন তারকা মানের একটি আধুনিক হোটেলের শেয়ার বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করেছে সেইফ রিসোর্ট এন্ড ল্যান্ডমার্ক পিএলসি।আজ শনিবার ২০ শে ডিসেম্বর সকাল ১১.০০ টায় কুয়াকাটায় একটি হোটেলে এ তিন তারকা বিশিষ্ট হোটেল নির্মাণ ও শেয়ার বিক্রয় বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপন করা হয়েছে। "সাগরকন্যা"খ্যাত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের কোলঘেঁষে নির্মিত আধুনিক মানসম্পন্ন এই তিন তারকা হোটেলটির বিভিন্ন প্যাকেজে শেয়ার বিক্রয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকবৃন্দ।শেয়ার বিক্রয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সেলিম সরকার। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পরিচালক এ এস এম নিশাদ,আব্দুর রাজ্জাক, প্রকল্প পরিচালক মোঃ মাহমুদুল্লাহ, বিনিয়োগকারী মোঃ রুবেল এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈকত হোসেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুয়াকাটা পৌর শাখার আমির মাওলানা মোঃ শহিদুল ইসলাম,মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইউব আকন,৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাওলানা আব্দুল আজিজ,মহিপুর ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামীর নেতা মোঃ সুলতান আকন,কলাপাড়া পৌর যুবদলের যুগ্ম- আহবায়ক আবুল কালাম আজাদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিবর্গ।বক্তারা বলেন কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পের বিকাশে এই তিন তারকা মানের হোটেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক নাসা নিউজ। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজের দাম উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে,আমদানির পরও দাম কমেনি।ঢাকার বিভিন্ন বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়।ভারত থেকে অল্প পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানির পরও বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে আসেনি।দেড় মাস আগে দেশি পুরানো পেঁয়াজের দাম ৭০-৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকায় স্থিতিশীল হয়েছিল।তবে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে দাম আরও ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকা পর্যন্ত চলে যায়।সরকার তখন ভারতের কাছ থেকে সীমিত পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেয়।আশা করা হয়েছিল বিদেশি পেঁয়াজ আসলে সিন্ডিকেট ভেঙে দেশি পেঁয়াজেরও দাম কমবে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী দেশে এখনও গত অর্থ বছরের উৎপাদিত পেঁয়াজের প্রায় ১ লাখ টন মজুদ রয়েছে।নতুন পেঁয়াজও বাজারে আসতে শুরু করেছে।তবে বেশি পরিমাণ আমদানির অনুমোদন না দেওয়া হলে দেশের কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।তাই সরকার প্রতিদিন সীমিত পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দিয়েছে।আজ শনিবার ১৩ ই ডিসেম্বর ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে,দেশি পুরানো পেঁয়াজের দাম প্রতিকেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে।তুলনামূলক শিকড়সহ দেশি পুরানো পেঁয়াজ কোথাও কোথাও ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকায়, তবে বাজারে কম দেখাই যাচ্ছে।মুগদা বাজারের খুচরা বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন "বাজারে যথেষ্ট সরবরাহ না থাকায় আমরা বেশি দামে কিনে আনছি।তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।বড় আড়তদাররা ঠিক করেন কোন দিন কত টাকায় বিক্রি হবে।আমরা আনি আর বিক্রি করি"।পাইকারি বিক্রেতাদের অভিযোগ সরকার আমদানি পুরোপুরি উন্মুক্ত করেনি।কিছু ব্যবসায়ীকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।ফলে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় দাম কমেনি।কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আকমল সরকার বলেন "ইন্ডিয়ান পেঁয়াজের সরবরাহ কম।সাপ্লাই সীমিত থাকায় দেশি ও ভারতীয় উভয় পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না"।শুধু ঢাকায় নয় চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারেও দেশি পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী।খাতুনগঞ্জে দেশি পেঁয়াজ কেজি ১২০ টাকায়,ভারতীয় পেঁয়াজ ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন।সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাজার পর্যবেক্ষণ করছেন, তবে মূল সমস্যার সমাধান এখনো হয়নি।