নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক নাসা নিউজ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তারেক রহমান বলেছেন আগামী ১২ তারিখের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু ভোট দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না।এটিকে হতে হবে দেশ পুনর্গঠন ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন।আজ রবিবার ৮ ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা-১৫ আসনের মিরপুর সেনপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তারেক রহমান বলেন দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল।বহু মানুষ জীবন দিয়েছেন,অনেকে গুম হয়েছেন,কেউ কেউ আন্দোলনে আহত ও অন্ধ হয়েছেন। সেই ত্যাগের ফলেই আজ মানুষ আবার ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরে পেয়েছে।তারেক রহমান বলেন এই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রতি সম্মান দেখাতে হলে আমাদের দায়িত্বশীলভাবে এই ভোট ব্যবহার করতে হবে।তিনি বলেন বিএনপি নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে।এর মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের গৃহিণী সরাসরি সরকারি সহায়তা পাবেন এবং ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন।ছাত্র ও তরুণ সমাজের কর্মসংস্থানের বিষয়ে তিনি জানান প্রতিটি সংসদীয় আসনে অন্তত একটি করে ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে কারিগরি ও দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে।বিদেশগামী কর্মীদের জন্য স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থার কথাও জানান তিনি।বলেন বিদেশে যেতে গিয়ে যাতে আমাদের তরুণদের জমি বা পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করতে না হয়,সে ব্যবস্থা আমরা করব।কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালুর ঘোষণা দিয়ে তারেক রহমান বলেন এর মাধ্যমে সার,বীজ ও কীটনাশক সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে।পাশাপাশি সরকার গঠন হলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে বলেও জানান তিনি।স্বাস্থ্যখাতে পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন গ্রামে গ্রামে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে হেলথ কেয়ার কর্মী নিয়োগ করা হবে,বিশেষ করে মা-বোনদের চিকিৎসা সেবায় গুরুত্ব দেওয়া হবে।ঢাকা-১৫ আসনের জন্য প্রস্তাবিত হাসপাতাল পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাসও দেন তিনি।রাজধানীর ১৫ আসনের কাফরুল এলাকার ১০০ ফুট রাস্তার কাজ দ্রুত শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন খালেদা জিয়ার সরকারের সময় এ প্রকল্প শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে তা বন্ধ হয়ে যায়।বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এই এলাকার রাস্তার কাজ বাস্তবায়ন হবে।বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বহু চাপ ও প্রস্তাব সত্ত্বেও তিনি দেশ ছেড়ে যাননি।এই দেশই আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা।বক্তব্যের শেষে জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন আসুন,যারা জীবন দিয়ে যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন,সেই বাংলাদেশ গড়তে আমরা একসাথে এগিয়ে যাই।এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ১৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মিল্টন,দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি মামুন হাসান,সাবেক মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল,কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ।
মতামত
অনলাইন জরিপ
জাতীয়
রাজনীতি
অর্থনীতি-ব্যাবসা
মোঃ মশিউর রহমান বিপুল,কুড়িগ্রাম। কুড়িগ্রামের মানুষ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ হোটেলে, রেস্তোরা,বাসা-বাড়ি ও পরিবহনে এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করেন।এছাড়া বহুদিন ধরে রান্নার জন্য কুড়িগ্রাম বাসীর প্রধান ভরসা সিলিন্ডার গ্যাস।কিন্তু গত ১-২ সপ্তাহ থেকে বাড়তি দামেও সঠিক সময়ে গ্যাস মিলছে না।এদিকে সরকারি দাম ১ হাজার ৩ শত ৬ টাকা হলেও ডিলার পয়েন্ট থেকে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ৩ শত থেকে ৫ শত টাকা বেশিতে।এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদরের এিমোহনী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানা বলেন গত কয়েক দিন থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে হিমশিম খাচ্ছি।কিন্তু না কিনি উপায় নাই বাড়িতে রান্না বান্না করবে কী দিয়ে।কুড়িগ্রাম পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা রতন চন্দ্র বলেন শহরে বসবাস করি বর্তমানে গ্যাস সংকটে পরিবারের রান্না করতে সমস্যা হচ্ছে। মাঝে মধ্যে টাকা দিয়েও গ্যাস সিলিন্ডার পাচ্ছি না।অপরদিকে কুড়িগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ শাপলা চত্বরে জান্নাত হোটেলের মালিক মুন্না বলেন গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।কিন্তু সেই তুলনায় তো খাবারের দাম বাড়াতে পারছি।বর্তমানে ব্যবসা করতে একটু লোকসান গুনতে হয়।কুড়িগ্রাম শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও যমুনা গ্যাসের ডিলার বদরুল আহসান মামুন জানান চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরো জানান ক্রয় মূল্যের সাথে পরিবহন খরচ ও স্বাভাবিক কিছু মুনাফা যোগ দিয়ে বিক্রি করছি।এতে আগের দামের তুলনায় সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্যাস সংকটে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি বন্ধে অভিযানে নেমেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।এবিষয়ে কুড়িগ্রাম ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ শেখ সাদী জানান প্রতিদিন আমরা অভিযান চলমান রেখেছি।এছাড়া যে সমস্ত ব্যবসায়ী বাজার সিন্ডিকেট তৈরি করে বর্তমান মুল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে,তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
অর্থনৈতিক ডেস্ক,দৈনিক নাসা নিউজ।টানা দুই দফা দাম বৃদ্ধির পর এবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা।এই দামে আজ শনিবার ১০ ই জানুয়ারি থেকে দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হবে।নতুন মূল্যে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা, ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৫ টাকায় বিক্রি হবে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে।তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ পরিবর্তিত হতে পারে।স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে রূপার দামও কমানো হয়েছে।২২ ক্যারেট রূপার প্রতি ভরি দাম কমিয়ে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট রূপা ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট রূপা ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা বিক্রি হবে।চলতি বছরে দেশের বাজারে রূপার দাম তিন দফা সমন্বয় করা হয়েছে।এর মধ্যে একবার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে,আর দুইবার কমানো হয়েছে।২০২৫ ইং সালে দেশে রূপার দাম মোট ১৩ দফা সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০বার দাম বেড়েছিল এবং মাত্র তিনবার কমানো হয়েছিল।
মিজানুর রহমান রিপন,কলাপাড়া,পটুয়াখালী।পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় তিন তারকা মানের একটি আধুনিক হোটেলের শেয়ার বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করেছে সেইফ রিসোর্ট এন্ড ল্যান্ডমার্ক পিএলসি।আজ শনিবার ২০ শে ডিসেম্বর সকাল ১১.০০ টায় কুয়াকাটায় একটি হোটেলে এ তিন তারকা বিশিষ্ট হোটেল নির্মাণ ও শেয়ার বিক্রয় বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপন করা হয়েছে। "সাগরকন্যা"খ্যাত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের কোলঘেঁষে নির্মিত আধুনিক মানসম্পন্ন এই তিন তারকা হোটেলটির বিভিন্ন প্যাকেজে শেয়ার বিক্রয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকবৃন্দ।শেয়ার বিক্রয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সেলিম সরকার। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পরিচালক এ এস এম নিশাদ,আব্দুর রাজ্জাক, প্রকল্প পরিচালক মোঃ মাহমুদুল্লাহ, বিনিয়োগকারী মোঃ রুবেল এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈকত হোসেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুয়াকাটা পৌর শাখার আমির মাওলানা মোঃ শহিদুল ইসলাম,মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইউব আকন,৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাওলানা আব্দুল আজিজ,মহিপুর ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামীর নেতা মোঃ সুলতান আকন,কলাপাড়া পৌর যুবদলের যুগ্ম- আহবায়ক আবুল কালাম আজাদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিবর্গ।বক্তারা বলেন কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পের বিকাশে এই তিন তারকা মানের হোটেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক নাসা নিউজ। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজের দাম উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে,আমদানির পরও দাম কমেনি।ঢাকার বিভিন্ন বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়।ভারত থেকে অল্প পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানির পরও বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে আসেনি।দেড় মাস আগে দেশি পুরানো পেঁয়াজের দাম ৭০-৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকায় স্থিতিশীল হয়েছিল।তবে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে দাম আরও ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকা পর্যন্ত চলে যায়।সরকার তখন ভারতের কাছ থেকে সীমিত পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেয়।আশা করা হয়েছিল বিদেশি পেঁয়াজ আসলে সিন্ডিকেট ভেঙে দেশি পেঁয়াজেরও দাম কমবে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী দেশে এখনও গত অর্থ বছরের উৎপাদিত পেঁয়াজের প্রায় ১ লাখ টন মজুদ রয়েছে।নতুন পেঁয়াজও বাজারে আসতে শুরু করেছে।তবে বেশি পরিমাণ আমদানির অনুমোদন না দেওয়া হলে দেশের কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।তাই সরকার প্রতিদিন সীমিত পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দিয়েছে।আজ শনিবার ১৩ ই ডিসেম্বর ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে,দেশি পুরানো পেঁয়াজের দাম প্রতিকেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে।তুলনামূলক শিকড়সহ দেশি পুরানো পেঁয়াজ কোথাও কোথাও ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকায়, তবে বাজারে কম দেখাই যাচ্ছে।মুগদা বাজারের খুচরা বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন "বাজারে যথেষ্ট সরবরাহ না থাকায় আমরা বেশি দামে কিনে আনছি।তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।বড় আড়তদাররা ঠিক করেন কোন দিন কত টাকায় বিক্রি হবে।আমরা আনি আর বিক্রি করি"।পাইকারি বিক্রেতাদের অভিযোগ সরকার আমদানি পুরোপুরি উন্মুক্ত করেনি।কিছু ব্যবসায়ীকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।ফলে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় দাম কমেনি।কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আকমল সরকার বলেন "ইন্ডিয়ান পেঁয়াজের সরবরাহ কম।সাপ্লাই সীমিত থাকায় দেশি ও ভারতীয় উভয় পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না"।শুধু ঢাকায় নয় চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারেও দেশি পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী।খাতুনগঞ্জে দেশি পেঁয়াজ কেজি ১২০ টাকায়,ভারতীয় পেঁয়াজ ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন।সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাজার পর্যবেক্ষণ করছেন, তবে মূল সমস্যার সমাধান এখনো হয়নি।
মোঃ সাব্বির আহমেদ,করেসপন্ডেন্ট,লালমনিরহাট। লালমনিরহাটে প্রথমবারের মতো বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী আকবরিয়া সুইটস এন্ড কনফেকশনারির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।আজ সোমবার ১০ ই অক্টোবর সকাল ১১টায় লালমনিরহাট শহরের কলেজ রোডস্থ,মিশন মোড়ে দই,সন্দেশ,কেক ইত্যাদি তাজা,সুস্বাদু আর মানসম্মত খাবারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সুনামধন্য আকবরিয়া সুইটস এন্ড কনফেকশনারি উদ্বোধন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ক্রেতাদের মাঝে আকবরিয়া সুইটসের পক্ষ থেকে নির্ভেজাল ও মানসম্মত খাবার সরবরাহের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।এদিকে,বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ধরনের খাবার সামগ্রী এখন থেকে হাতের কাছে পাওয়া যাওয়াতে খুশি সাধারন মানুষ।এ সময়ে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব নিয়াজ আহমেদ রেজা সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,ব্যবসায়ী ও আকবরিয়া সুইটস এন্ড কনফেকশনারির প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক নাসা নিউজ। হজ্ব কার্যক্রমের সুবিধার্থে ব্যাংকের নির্দিষ্ট কিছু শাখা আগামীকাল শনিবার ১৮ ই অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।গতকাল বৃহস্পতিবার ১৬ ই অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী জারি করা এ নির্দেশনায় বলা হয় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ ইং সালের হজ্ব নিবন্ধনের অর্থ জমা দেওয়ার সুবিধার্থে হজ্বের অর্থ গ্রহণকারী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো ১৮ ই অক্টোবর খোলা রাখতে হবে।যতক্ষণ হজ্বের নিবন্ধনের অর্থ জমা দেওয়ার জন্য গ্রাহক থাকবেন, ততক্ষণ অর্থ গ্রহণের প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।