স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক নাসা নিউজ।জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন "সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না" বলে যারা হুমকি দিচ্ছে,তারা নিজেদের স্বার্থে কথা বলছে। তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।আজ বুধবার ১৭ ই জুন বিকেলে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এ আহবান জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন "জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বিএনপি আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত দেশ পরিচালনা করবে। জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে,তাদের দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে কাজ করবে।জনগণ বিএনপিকে টাইম দিয়েছে পাঁচ বছর। যারা বলে বিএনপি-কে সময় দেওয়া যাবে না,তারা জনগণের স্বার্থে কথা বলছে না, তারা নিজের স্বার্থে কথা বলছে। তাদের বিরুদ্ধে কী করা উচিত? তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন "মনে আছে তো-এখানে অনেক মুরুব্বি আছেন। মনে আছে তো-একাত্তরে এরা কী করেছিল? মনে আছে তো -৮৬ তে কী করেছিল? মনে আছে তো- এর মধ্যে এক যুগ যে আন্দোলন চলেছিল, সেই আন্দোলনে তাদেরকে কোথাও আমরা কিন্তু দেখিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন "আজকে যদি শহীদদের তালিকা বের করা হয়, দেখা যাবে যে ছাত্রটি মারা গিয়েছে- ছাত্রদলের একজন কর্মী, যে ছাত্রটির বউ মরেছে ছাত্র দলের কর্মী,যে যুবকটি মারা গিয়েছে যুবদলের কর্মী,যে যুবকটি গুম হয়েছে যুবদলের কর্মী। যেই মানুষ বিনা কারণে জেল খেটেছে, খুঁজলে দেখা যাবে সে বিএনপির কর্মী,যে মানুষ মিথ্যা মামলা মাথায় করে বয়ে বেড়িয়েছে বছরের পর বছর, খোঁজ করলে দেখা যাবে শহীদ জিয়া,খালেদা জিয়ার কর্মী।১২ ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রতি জনগণের ম্যান্ডেটের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন "মানুষ বিএনপি-কে বলেছে,তোমরা দেশকে গড়ে তোলো,মানুষ বিএনপি-কে বলে দিয়েছে,আগামী পাঁচ বছর তোমাদেরকে সময় দিলাম দেশকে ঠিক করো তোমরা।স্বৈরাচার দেশকে খালি করে দিয়ে চলে গিয়েছে।শ্রীমঙ্গল থেকে বিকেল ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছান মৌলভীবাজারে।এই অনুষ্ঠানে জেলার প্রান্তিক নারীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।১০ জন নারী সদস্যের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী কম্পিউটারে বাটন চেপে মৌলভীবাজারের ১৯ ওয়ার্ডসহ অনলাইনের মাধ্যমে আরো ২১ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় তৃতীয় পর্যায়ে নারীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কর্মসূচি একযোগে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের আগে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে একটি আম ও নিম গাছের চারা এবং এর আগে শ্রীমঙ্গলে ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাম ও কৃষচূড়া গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মৌলভীবাজারের অনুষ্ঠানে চা-শ্রমিকের আবাসন এবং তাদের সন্তানদের বৃত্তি প্রদানসহ দুঃস্থ-অসহায়,প্রতিবন্ধী, প্রান্তিক মানুষের মধ্যে এককালীন আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান করেন সরকার প্রধান।নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন "যারা বলেছে,সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না।তাদের সম্পর্কে সর্তক করে আমি বলতে চাই,বিএনপির প্রতিশ্রুতির পরিকল্পনা জনগণের পরিকল্পনা। এটি যারা ভেস্তে দিতে চায়,তাদের সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে।তিনি বলেন বিএনপির কিছু করা লাগবে না।জনগণ সতর্ক থাকলেই বিএনপির কাজ হয়ে যাবে। কারণ,এ দেশের মালিক বাংলাদেশের জনগণ। মালিক যদি সতর্ক থাকে আর কারো টেনশন থাকবে না।এ দেশের মালিক জনগণ, জনগণের হাতে এই দেশের নিরাপত্তা,এ দেশের উন্নয়ন,এ দেশের ভবিষ্যৎ আমি সঁপে দিয়ে গেলাম।প্রধানমন্ত্রী বলেন যারা বিএনপি"কে সময় দিতে চায় না তারা বলে ফ্যামিলি কার্ড কোত্থেকে করবা?টাকা পাবা কই? তাদের উদ্দেশ্যে পরিস্কার করে বলে দিতে চাই, বিগত এক যুগ আমরা দেখেছি, সারা পৃথিবী দেখেছে,সারা পৃথিবী সাক্ষ্য দিয়েছে-কীভাবে এ দেশের অর্থ পাচার হয়ে গিয়েছিল।এখন থেকে বাংলাদেশের মানুষকে সাথে নিয়ে সেই পাচার আমরা রুখে দেব।তিনি বলেন এই দেশের মানুষের অর্থ, এই দেশের মানুষের সম্পদ দেশেই থাকবে।কোথাও যেতে পারবে না। এ দেশের মানুষের অর্থ এই দেশের মানুষের সম্পদ এ দেশের মানুষের ভালোর জন্য ব্যবহার হবে। যারা বলে টাকা কোথায় পাবা,তাদের কাছে এই হচ্ছে আমার জবাব। তাদের উদ্দেশ্যে একটাই কথা বলতে চাই,মানুষকে নিয়ে চিন্তা করুন, মানুষকে নিয়ে কাজ করার চিন্তুা করুন, দেখবেন উপায় বের হবে।সামনে সময় দেশের জন্য কাজ করার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন সামনের সময় হচ্ছে কাজ করার, সামনে সময় হচ্ছে দেশ গড়ার,সামনের সময় হচ্ছে দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করার । আজকে দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত, এই ৪০ কোটি হাত যদি অবশ হয়ে পড়ে থাকে, অলস হয়ে পড়ে থাকে তাহলে দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করা যাবে না।একাত্তরে দেশ স্বাধীন করেছিল বাংলাদেশের জনগণ উল্লেখ করে তিনি বলেন ২০২৪ ইং সালের ৫ ই আগস্ট দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করেছিল কে?বাংলাদেশের জনগণই মুক্ত করেছিল।কাজেই দেশকেও গড়ে তুলবে বাংলাদেশের জনগণ। কারণ,খালেদা জিয়াকে যখন বলেছিল দেশ ছেড়ে চলে যাও।তখন খালেদা জিয়া বলেছিলেন বাংলাদেশের মাটি হচ্ছে আমার প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। মনে আছে আপনাদের? আমাদের সকলের এই বাংলাদেশই হচ্ছে প্রথম ও শেষ ঠিকানা।কাজেই এ দেশকে যদি সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়,এ দেশকে যদি গড়ে তুলতে হয় তাহলে সকলে আমাদেরকে হাতে হাত মিলিয়ে এক সাথে কাজ করতে হবে।উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন আসুন এখানে সবাই আমরা হাত তুলে প্রতিজ্ঞা করি যে, আমাদের আগামী দিনের রাজনীতি, আমাদের আগামী দিনের প্রত্যাশা, আমাদের আগামী দিনের সকল কর্ম পরিকল্পনা হবে এই দেশ ও এ দেশের মানুষকে ঘিরে। দেশ গড়াই হবে আমাদের আগামী দিনের রাজনীতি।১৭ ই ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পর নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো যেমন-ফ্যামিলি কার্ড,কৃষক কার্ড,কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ,মুয়াজ্জিন,ইমামসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের সম্মানিভাতা প্রদান,স্কুল শিক্ষার্থীদের ড্রেস প্রদান,ক্রীড়া প্রতিযোগিতা প্রভৃতি কাজ শুরু করার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন "এর উপকারটা কার হবে? দলমত নির্বিশেষে এর উপকার পাবে সকল মানুষ।তিনি বলেন ১২ তারিখের নির্বাচনে বিএনপি-কে জনগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী করেছে।১৭ তারিখের পর এ সরকার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সরকার। বর্তমান সরকার হচ্ছে,দলমত নির্বিশেষে সবার সরকার।আমাদের সরকারের মূখ্য বিষয় হচ্ছে,বাংলাদেশের জনগণ ও বাংলাদেশের মানুষ।অর্থমন্ত্রী প্রয়াত এম সাইফুর রহমানের এই অঞ্চলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করে গত এক যুগেরও বেশি সময় এই জেলায় উন্নয়ন না হওয়ার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।সমাজ কল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী,সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারহানা শারমিন,জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউস,মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান এবং কেরানিগঞ্জ থেকে অনলাইনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বক্তব্য রাখেন।মৌলভীবাজারের অনুষ্ঠান শেষ করে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সিলেটের উদ্দেশ্যে সড়ক পথে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।সূত্রঃ বাসস
মতামত
অনলাইন জরিপ
জাতীয়
অর্থনীতি-ব্যাবসা
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক নাসা নিউজ। গ্রাহকদের আস্থাহীনতার মধ্যে বিপুল অঙ্কের টাকা উত্তোলনের মধ্যেই ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।আজ বুধবার ১০ ই জুন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আশরাফুল আলমকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৯ (১) (ঘ) (আ) ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।পর্যবেক্ষক হিসেবে তিনি ইসলামী ব্যাংকের সামগ্রিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন। একই সঙ্গে ব্যাংকের স্বার্থ সংরক্ষণ, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং বৃহত্তর জনস্বার্থ নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করবেন।মোহাম্মদ আশরাফুল আলম ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সভাসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন।পাশাপাশি ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পর্যবেক্ষণ বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাবেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে দেশের ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা,সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত ব্যাংকটির কার্যক্রমে আস্থা ও শৃঙ্খলা বাড়াতে সহায়ক হবে বলেও মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।এর আগে গত ২৪ শে আগস্ট ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ ব্যাংক।আগের চেয়ারম্যানকে সরিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান করা হয়।খুরশীদ আলম ২০২৪ ইং সালের ফেব্রুয়ারিতে তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারানোর পর বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আন্দোলনের মুখে তিনিসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন চার কর্মকর্তা পদত্যাগে বাধ্য হন।এদিকে ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খানও পদত্যাগ করেন।এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাংকটির গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে আন্দোলন চলছে।
আব্দুল কাহার সিদ্দিকী,জেলা করেসপন্ডেন্ট,রংপুর। এক সপ্তাহের ব্যবধানে রংপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানের হাটবাজারে বেড়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ৷যা কেজিপ্রতি বেড়েছে ২০ টাকা পর্যন্ত।গতকাল রংপুর সদর উপজেলার,হরকলিহাটসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে বেগুন সাদা ৬০ টাকা কেজি তা এখন ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, লাউ পিচ ৩০ টাকা তা এখন ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে,লেবু হালি ৫০ টাকা,পটল ৪০ টাকা কেজি তা এখন ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, কাঁচা মরিচ ৩০ টাকা কেজি তা এখন ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, রসুন ৩০ টাকা তা এখন ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, পেঁয়াজ ৩০টাকা তা এখন ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ৷এ ছাড়াও বেড়েছে তেলের দাম,ডিম, মাছ, মাংস, চাল, আদা, ডাল, টমেটোসহ ধরনের শাক-সবজি দাম ও অন্যান্য নিত্যপণ্য জিনিসপত্রের দাম৷বাজারে নিত্যপণ্যের হঠাৎ এমন দাম বৃদ্ধিতে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা।এদিকে কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা বলেন আকাশের বূষ্টির কারণে কাঁচামালের দাম বেড়েছে।ক্রেতারা বলছেন দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ায় সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে ৷ক্রেতারা বলছেন এমন অবস্থা হলে পুরো মাসজুড়ে বাজার সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে। সচেতন মহল দাবি জানান বাজার মনিটরিং জোরদার করা হোক ৷
শফিকুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি ও ট্রানজিট বাণিজ্য সহজ করতে সীমান্ত বাণিজ্য সমন্বয় কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় পানামা-সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।রাজশাহী কাস্টমসের কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- রাজশাহী কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার শাফায়েত হোসেন,সোনামসজিদ স্থলবন্দর কাস্টমস স্টেশনের উপ-কমিশনার ওমর মবিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ একরামুল হক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ,সোনামসজিদ স্থলবন্দর আমদানি ও রপ্তানি কারক গ্রুপের সভাপতি বাবুল হাসনাত দুরুল ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফ উদ্দিন ইতিসহ অন্যরা।সভায় সীমান্ত বাণিজ্য কার্যক্রম আরো গতিশীল ও সুশৃঙ্খল করা, সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি, রাজস্ব আদায় বাড়ানো, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।আলোচনা সভার আয়োজন করে সোনামসজিদ স্থল কাস্টমস শুল্ক স্টেশন।
বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক নাসা নিউজ। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আজ বুধবার ১১ ই ফেব্রুয়ারি থেকে টানা দুই দিন ঢাকাসহ সারা দেশের সব দোকান, বিপণিবিতান ও শপিংমল বন্ধ থাকবে।এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভা।সমিতির সভাপতি মোঃ নাজমুল হাসান মাহমুদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ করে দিতেই ১১ ও ১২ ই ফেব্রুয়ারি সব ধরনের দোকান ও শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এদিকে নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সরকারও টানা তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গেল ২৫ ই জানুয়ারি এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১১ ও ১২ ই ফেব্রুয়ারি সারা দেশের সরকারি,আধা-সরকারি,স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি দপ্তরে সাধারণ ছুটি থাকবে।একই সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও এই ছুটির আওতায় থাকবেন।এর আগে শ্রমজীবী মানুষ যাতে ভোট দিতে পারেন সে সুবিধা নিশ্চিত করতে ১০ ই ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
মোঃ মশিউর রহমান বিপুল,কুড়িগ্রাম। কুড়িগ্রামের মানুষ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ হোটেলে, রেস্তোরা,বাসা-বাড়ি ও পরিবহনে এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করেন।এছাড়া বহুদিন ধরে রান্নার জন্য কুড়িগ্রাম বাসীর প্রধান ভরসা সিলিন্ডার গ্যাস।কিন্তু গত ১-২ সপ্তাহ থেকে বাড়তি দামেও সঠিক সময়ে গ্যাস মিলছে না।এদিকে সরকারি দাম ১ হাজার ৩ শত ৬ টাকা হলেও ডিলার পয়েন্ট থেকে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ৩ শত থেকে ৫ শত টাকা বেশিতে।এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদরের এিমোহনী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানা বলেন গত কয়েক দিন থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে হিমশিম খাচ্ছি।কিন্তু না কিনি উপায় নাই বাড়িতে রান্না বান্না করবে কী দিয়ে।কুড়িগ্রাম পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা রতন চন্দ্র বলেন শহরে বসবাস করি বর্তমানে গ্যাস সংকটে পরিবারের রান্না করতে সমস্যা হচ্ছে। মাঝে মধ্যে টাকা দিয়েও গ্যাস সিলিন্ডার পাচ্ছি না।অপরদিকে কুড়িগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ শাপলা চত্বরে জান্নাত হোটেলের মালিক মুন্না বলেন গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।কিন্তু সেই তুলনায় তো খাবারের দাম বাড়াতে পারছি।বর্তমানে ব্যবসা করতে একটু লোকসান গুনতে হয়।কুড়িগ্রাম শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও যমুনা গ্যাসের ডিলার বদরুল আহসান মামুন জানান চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরো জানান ক্রয় মূল্যের সাথে পরিবহন খরচ ও স্বাভাবিক কিছু মুনাফা যোগ দিয়ে বিক্রি করছি।এতে আগের দামের তুলনায় সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্যাস সংকটে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি বন্ধে অভিযানে নেমেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।এবিষয়ে কুড়িগ্রাম ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ শেখ সাদী জানান প্রতিদিন আমরা অভিযান চলমান রেখেছি।এছাড়া যে সমস্ত ব্যবসায়ী বাজার সিন্ডিকেট তৈরি করে বর্তমান মুল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে,তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
অর্থনৈতিক ডেস্ক,দৈনিক নাসা নিউজ।টানা দুই দফা দাম বৃদ্ধির পর এবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা।এই দামে আজ শনিবার ১০ ই জানুয়ারি থেকে দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হবে।নতুন মূল্যে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা, ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৫ টাকায় বিক্রি হবে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে।তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ পরিবর্তিত হতে পারে।স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে রূপার দামও কমানো হয়েছে।২২ ক্যারেট রূপার প্রতি ভরি দাম কমিয়ে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট রূপা ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট রূপা ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা বিক্রি হবে।চলতি বছরে দেশের বাজারে রূপার দাম তিন দফা সমন্বয় করা হয়েছে।এর মধ্যে একবার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে,আর দুইবার কমানো হয়েছে।২০২৫ ইং সালে দেশে রূপার দাম মোট ১৩ দফা সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০বার দাম বেড়েছিল এবং মাত্র তিনবার কমানো হয়েছিল।