মোঃ নাসির হাওলাদার,রিপোর্টার,দৈনিক নাসা নিউজ।
ঢাকা থেকে বাঘা,ঈশ্বরদী ও বনপাড়া রুটে চলাচলকারী *সুপার সনি পরিবহনের বেশ কিছু বাসের বিরুদ্ধে বিআরটিএর বৈধ লাইসেন্স,ফিটনেস ও ট্যাক্স টোকেন না থাকার অভিযোগ উঠেছে।এ ছাড়া এসব বাসের কাগজপত্র জাল বলেও অভিযোগ রয়েছে।দৈনিক নাসা নিউজ এর অনুসন্ধানে সুপার সনি পরিবহনের অন্তত দুটি বাসের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।বাস দুটির নম্বর- ঢাকা মেট্রো-ব ১৫-০৪২৪ এবং ময়মনসিংহ-ব ১১-০২৭৩।অনুসন্ধানে অভিযোগ করা হয়েছে,বাস দুটির প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং ব্যবহৃত কাগজপত্র নকল।
অন্য দিকে বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী,দেশের সড়কে চলাচলকারী কোনো স্লিপার বাসেরই বর্তমানে এই ধরনের কনফিগারেশনে চলাচলের বৈধ অনুমোদন বা রুট পারমিট নেই। সাধারণ বাসের অনুমোদন নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে সেগুলোকে অবৈধভাবে স্লিপার কোচে রূপান্তর করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে স্লিপার বাসের ভেতরে কেবিন বা বার্থ সিস্টেম থাকায় দুর্ঘটনা কিংবা অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীদের দ্রুত বের হয়ে আসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকে না।ফলে এসব যানবাহনকে নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অনেকে এগুলোকে "চলন্ত কফিন" বলেও আখ্যা দিচ্ছেন।
অভিযোগ রয়েছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের বাস দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সড়কে চলাচল করছে।এখন প্রশ্ন উঠেছে-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি কোথায় এবং এসব অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনের বিরুদ্ধে কবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
.png)
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
মোঃ নাসির হাওলাদার,রিপোর্টার,দৈনিক নাসা নিউজ।
ঢাকা থেকে বাঘা,ঈশ্বরদী ও বনপাড়া রুটে চলাচলকারী *সুপার সনি পরিবহনের বেশ কিছু বাসের বিরুদ্ধে বিআরটিএর বৈধ লাইসেন্স,ফিটনেস ও ট্যাক্স টোকেন না থাকার অভিযোগ উঠেছে।এ ছাড়া এসব বাসের কাগজপত্র জাল বলেও অভিযোগ রয়েছে।দৈনিক নাসা নিউজ এর অনুসন্ধানে সুপার সনি পরিবহনের অন্তত দুটি বাসের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।বাস দুটির নম্বর- ঢাকা মেট্রো-ব ১৫-০৪২৪ এবং ময়মনসিংহ-ব ১১-০২৭৩।অনুসন্ধানে অভিযোগ করা হয়েছে,বাস দুটির প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং ব্যবহৃত কাগজপত্র নকল।
অন্য দিকে বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী,দেশের সড়কে চলাচলকারী কোনো স্লিপার বাসেরই বর্তমানে এই ধরনের কনফিগারেশনে চলাচলের বৈধ অনুমোদন বা রুট পারমিট নেই। সাধারণ বাসের অনুমোদন নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে সেগুলোকে অবৈধভাবে স্লিপার কোচে রূপান্তর করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে স্লিপার বাসের ভেতরে কেবিন বা বার্থ সিস্টেম থাকায় দুর্ঘটনা কিংবা অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীদের দ্রুত বের হয়ে আসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকে না।ফলে এসব যানবাহনকে নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অনেকে এগুলোকে "চলন্ত কফিন" বলেও আখ্যা দিচ্ছেন।
অভিযোগ রয়েছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের বাস দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সড়কে চলাচল করছে।এখন প্রশ্ন উঠেছে-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি কোথায় এবং এসব অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনের বিরুদ্ধে কবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
.png)
আপনার মতামত লিখুন