নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক নাসা নিউজ।
ছেলেদের ফুটবলে সান মারিনোর বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ভারতের মাটিতে হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের এক অনন্য মাইলফলকের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল।গোয়াতে অনুষ্ঠিত সাফ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশের মেয়েরা।দেশের গর্বিত এই নারী ফুটবলাররা ভারতের মাটিতে বিজয় ছিনিয়ে এনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে এবং ট্রফি নিয়ে বীরের বেশে দেশে ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক।
ঢাকার মোহাম্মদপুরস্থ সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত "ডেভেলপমেন্ট কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (অনূর্ধ্ব-১৫) ২০২৬"-এর শুভ উদ্বোধনকালে প্রতিমন্ত্রী মেয়েদের এই গৌরবময় যাত্রার কথা উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন এবং গতকাল সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ২-১ গোলের দুর্দান্ত জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান।
একই সাথে আজ গোয়ার মাঠে মেয়েদের ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে পুরো দেশের প্রত্যাশার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং নারী ফুটবলারদের প্রতি আন্তরিক শুভকামনা জানান তৃণমূল পর্যায় থেকে ফুটবলের ভবিষ্যৎ তারকাদের তুলে আনার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব মোঃ মাহফুজুল আলম খান এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্মসচিব) জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান।এই প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে দেশের প্রতিটি জেলায় প্রাথমিক বাছাই এবং নিবিড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রতিটি বিভাগের জন্য ১৬ জনের চূড়ান্ত দল গঠন করা হয়েছে, যেখান থেকে পরবর্তীতে গতিশীল ৮ জনকে নিয়ে একটি আকর্ষণীয় 'বীচ ফুটবল টুর্নামেন্ট' আয়োজন করা হবে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী তার শৈশবের স্মৃতি চারণ করে বলেন যে এক সময় তিনিও সিলেট অঞ্চলের বিমান কাপ ও মামণি গোল্ড কাপের মতো টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছেন।তিনি বিশ্বাস করেন বর্তমান তরুণ খেলোয়াড়দের হাত ধরেই বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন অনেক দূর এগিয়ে যাবে।রাতারাতি সব পরিবর্তন সম্ভব না হলেও সরকার ক্রীড়া ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।
আগামী জুলাইয়ের মধ্যে দেশের আটটি বিভাগ ও দুটি অঞ্চলসহ মোট ১০টি অঞ্চলের প্রতিভাবান শিশুদের নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেট, ফুটবল, সাঁতার ও মার্শাল আর্টসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।১২ থেকে ১৪ বছরের এই শিশুরা যখন মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম বা জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামের মতো বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ পাবে, তখন তাদের স্বপ্ন ও আত্মবিশ্বাস আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে এবং তারা বর্তমান জাতীয় তারকাদের মতো হওয়ার অনুপ্রেরণা পাবে।
.png)
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক নাসা নিউজ।
ছেলেদের ফুটবলে সান মারিনোর বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ভারতের মাটিতে হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের এক অনন্য মাইলফলকের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল।গোয়াতে অনুষ্ঠিত সাফ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশের মেয়েরা।দেশের গর্বিত এই নারী ফুটবলাররা ভারতের মাটিতে বিজয় ছিনিয়ে এনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে এবং ট্রফি নিয়ে বীরের বেশে দেশে ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক।
ঢাকার মোহাম্মদপুরস্থ সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত "ডেভেলপমেন্ট কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (অনূর্ধ্ব-১৫) ২০২৬"-এর শুভ উদ্বোধনকালে প্রতিমন্ত্রী মেয়েদের এই গৌরবময় যাত্রার কথা উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন এবং গতকাল সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ২-১ গোলের দুর্দান্ত জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান।
একই সাথে আজ গোয়ার মাঠে মেয়েদের ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে পুরো দেশের প্রত্যাশার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং নারী ফুটবলারদের প্রতি আন্তরিক শুভকামনা জানান তৃণমূল পর্যায় থেকে ফুটবলের ভবিষ্যৎ তারকাদের তুলে আনার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব মোঃ মাহফুজুল আলম খান এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্মসচিব) জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান।এই প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে দেশের প্রতিটি জেলায় প্রাথমিক বাছাই এবং নিবিড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রতিটি বিভাগের জন্য ১৬ জনের চূড়ান্ত দল গঠন করা হয়েছে, যেখান থেকে পরবর্তীতে গতিশীল ৮ জনকে নিয়ে একটি আকর্ষণীয় 'বীচ ফুটবল টুর্নামেন্ট' আয়োজন করা হবে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী তার শৈশবের স্মৃতি চারণ করে বলেন যে এক সময় তিনিও সিলেট অঞ্চলের বিমান কাপ ও মামণি গোল্ড কাপের মতো টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছেন।তিনি বিশ্বাস করেন বর্তমান তরুণ খেলোয়াড়দের হাত ধরেই বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন অনেক দূর এগিয়ে যাবে।রাতারাতি সব পরিবর্তন সম্ভব না হলেও সরকার ক্রীড়া ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।
আগামী জুলাইয়ের মধ্যে দেশের আটটি বিভাগ ও দুটি অঞ্চলসহ মোট ১০টি অঞ্চলের প্রতিভাবান শিশুদের নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেট, ফুটবল, সাঁতার ও মার্শাল আর্টসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।১২ থেকে ১৪ বছরের এই শিশুরা যখন মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম বা জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামের মতো বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ পাবে, তখন তাদের স্বপ্ন ও আত্মবিশ্বাস আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে এবং তারা বর্তমান জাতীয় তারকাদের মতো হওয়ার অনুপ্রেরণা পাবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন