মোঃ সাব্বির আহমেদ,করেসপন্ডেন্ট,লালমনিরহাট।
আজ সকাল ১১টার সময় রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক,জোনাল কার্যালয়,লালমনিরহাট প্রাঙ্গনে রাকাব,লালমনিরহাট জোনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে এক মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত।উল্লেখ্য বিষয় গত ১৮ ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং সময়ে প্রধান কার্যালয়ের বদলী আদেশ নং প্রকা/কব্যবি-১০/২০২৫-২০২৬/৯৮৫ (২) মূলে বহুল বিতর্কিত জোনাল ব্যবস্থাপক মোঃ খাইরুল ইসলামকে রাকাব লালমনিরহাট জোনে জোনাল ব্যবস্থাপক হিসেবে ২য় বারের মত পদায়ন করায় লালমনিরহাট জোনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী ভয়ে ও ক্ষোভে ফেটে পড়েন।তারই অংশ হিসেবে আজ জোনাল কার্যালয় প্রাঙ্গনে এক মানব বন্ধন কর্মসূচী ও বিক্ষোভ প্রদর্শনের সংযুক্ত ছিলেন কৃষি ব্যাংকের সকল শাখার কর্মচারীগণেরা।তারা বলেন তার (খায়রুল ইসলাম)'র অনিয়ম গুলোঃ আয়োজন করা হয়।গত স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের দোষর এই মোঃ খাইরুল ইসলাম অনেক রকম অনিয়মের সঙ্গে জড়িত।
এসয় অন্যান্য বক্তারা আরও বলেন তিনি (খাইরুল ইসলাম) জোনাল ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব নিলে বিভিন্ন শাখা পর্যায়ে বীমা কমিশন ও পছন্দসই ব্যবস্থাপক পদায়নের মাধ্যমে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে এই বদলি আদেশ করেছেন।মোটা অঙ্কের অর্থের সংস্থান করতেই মূলত জোনাল ব্যবস্থাপক হিসেবে পদায়নের জন্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে একপ্রকার ম্যানেজ করেই তার এই কৌশল অবলম্বন করেন।
রাকাব এমডি ভিজিলেন্স সেলে এ বছরের ১৭ ই ফেব্রুয়ারি ২১৯ ডেস পাসের পত্র মূলে জানা যায় তিনি শুধু লালমনিরহাট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।জোনে দায়িত্ব পালনকালে ৯৩ জন কর্মকর্তা কর্মচারীকে ব্যাখ্যা তলব করেছিলেন যাকে অস্বাভাবিক ও নির্যাতনের শামিল।কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভয় ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।ফলে একই ব্যক্তিকে লালমনিরহাট জোনে পুনরায় বদলি করে জোনাল ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব প্রদানে শাখা পর্যায়ের সব বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য যে তাকে প্রথমে রংপুর বিভাগীয় অফিসে বদলি করা হলে রংপুর জেলার কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাবির মুখে।ঐ দিনই পুনরায় প্রধান কার্যালয়,রাজশাহীতে বদলি করা হয়।দায়িত্ব পালনকালে।কৃষকের প্রতি নিষ্ঠুরতার চরম উদাহরণ তৈরি করেছিলেন তিনি,এবং আওয়ামী আমলের দিনগুলোতে জোনাল ব্যবস্থাপক হিসেবে তার ছিলো দোসর কর্তৃক ভুমিকা।এ কারণে ৫ আগস্ট-পরবর্তী ২১ আগস্টে নীলফামারী জেলার কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক তিনি অবাঞ্ছিত ঘোষিত হন।এই বিক্ষোভের মাধ্যমে বক্তাগণেরা তাকে লালমনিরহাট জোনে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন এবং মোঃ খাইরুল ইসলামের বদলী আদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
.png)
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
মোঃ সাব্বির আহমেদ,করেসপন্ডেন্ট,লালমনিরহাট।
আজ সকাল ১১টার সময় রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক,জোনাল কার্যালয়,লালমনিরহাট প্রাঙ্গনে রাকাব,লালমনিরহাট জোনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে এক মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত।উল্লেখ্য বিষয় গত ১৮ ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং সময়ে প্রধান কার্যালয়ের বদলী আদেশ নং প্রকা/কব্যবি-১০/২০২৫-২০২৬/৯৮৫ (২) মূলে বহুল বিতর্কিত জোনাল ব্যবস্থাপক মোঃ খাইরুল ইসলামকে রাকাব লালমনিরহাট জোনে জোনাল ব্যবস্থাপক হিসেবে ২য় বারের মত পদায়ন করায় লালমনিরহাট জোনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী ভয়ে ও ক্ষোভে ফেটে পড়েন।তারই অংশ হিসেবে আজ জোনাল কার্যালয় প্রাঙ্গনে এক মানব বন্ধন কর্মসূচী ও বিক্ষোভ প্রদর্শনের সংযুক্ত ছিলেন কৃষি ব্যাংকের সকল শাখার কর্মচারীগণেরা।তারা বলেন তার (খায়রুল ইসলাম)'র অনিয়ম গুলোঃ আয়োজন করা হয়।গত স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের দোষর এই মোঃ খাইরুল ইসলাম অনেক রকম অনিয়মের সঙ্গে জড়িত।
এসয় অন্যান্য বক্তারা আরও বলেন তিনি (খাইরুল ইসলাম) জোনাল ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব নিলে বিভিন্ন শাখা পর্যায়ে বীমা কমিশন ও পছন্দসই ব্যবস্থাপক পদায়নের মাধ্যমে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে এই বদলি আদেশ করেছেন।মোটা অঙ্কের অর্থের সংস্থান করতেই মূলত জোনাল ব্যবস্থাপক হিসেবে পদায়নের জন্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে একপ্রকার ম্যানেজ করেই তার এই কৌশল অবলম্বন করেন।
রাকাব এমডি ভিজিলেন্স সেলে এ বছরের ১৭ ই ফেব্রুয়ারি ২১৯ ডেস পাসের পত্র মূলে জানা যায় তিনি শুধু লালমনিরহাট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।জোনে দায়িত্ব পালনকালে ৯৩ জন কর্মকর্তা কর্মচারীকে ব্যাখ্যা তলব করেছিলেন যাকে অস্বাভাবিক ও নির্যাতনের শামিল।কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভয় ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।ফলে একই ব্যক্তিকে লালমনিরহাট জোনে পুনরায় বদলি করে জোনাল ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব প্রদানে শাখা পর্যায়ের সব বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য যে তাকে প্রথমে রংপুর বিভাগীয় অফিসে বদলি করা হলে রংপুর জেলার কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাবির মুখে।ঐ দিনই পুনরায় প্রধান কার্যালয়,রাজশাহীতে বদলি করা হয়।দায়িত্ব পালনকালে।কৃষকের প্রতি নিষ্ঠুরতার চরম উদাহরণ তৈরি করেছিলেন তিনি,এবং আওয়ামী আমলের দিনগুলোতে জোনাল ব্যবস্থাপক হিসেবে তার ছিলো দোসর কর্তৃক ভুমিকা।এ কারণে ৫ আগস্ট-পরবর্তী ২১ আগস্টে নীলফামারী জেলার কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক তিনি অবাঞ্ছিত ঘোষিত হন।এই বিক্ষোভের মাধ্যমে বক্তাগণেরা তাকে লালমনিরহাট জোনে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন এবং মোঃ খাইরুল ইসলামের বদলী আদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
.png)
আপনার মতামত লিখুন