মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Daily Nasa News
প্রকাশ : সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬

পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটি নিয়ে বিতর্ক,বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি বিএনপি নেতা বাবুলের

পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটি নিয়ে বিতর্ক,বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি বিএনপি নেতা বাবুলের
পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটি নিয়ে বিতর্ক,বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি বিএনপি নেতা বাবুলের

মোঃ আব্দুল কাহার সিদ্দিকী,করেসপন্ডেন্ট,রংপুর। 

রংপুর সদর উপজেলার পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটি গোপনে গঠন এবং পরবর্তীতে দলীয় বহিষ্কারাদেশের ঘটনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মত-বিনিময় করেছেন ২ নং হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ বাবুল হোসেন।

গত রবিবার স্থানীয় সাংবাদিকদের তিনি জানান এডহক কমিটি গঠন বিষয়ে অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন ইতিপূর্বে জানিয়েছিলেন-দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড থেকে এখনো কোনো বিজ্ঞপ্তি আসেনি,এলে সবাইকে জানানো হবে।কিন্তু ২৪ শে আগস্ট বোর্ড থেকে গোপনে আব্দুল গনিকে সভাপতি করে এডহক কমিটি অনুমোদন নিয়ে আসেন অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন।

এই গোপনে কমিটি গঠনের প্রতিবাদ জানাতে ও অধ্যক্ষের কাছে জবাব চাইতে গত ২৭ শে আগস্ট স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ প্রতিষ্ঠানে যান।বাবুল হোসেন জানান সেদিন তিনি স্কুল প্রাঙ্গণে পৌঁছালে উপস্থিত লোকজনের অনুরোধে অধ্যক্ষের কক্ষে যান এবং অনিয়মের মাধ্যমে কমিটি অনুমোদনের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

একপর্যায়ে উপস্থিত সকলে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেন এবং অধ্যক্ষ ভুল স্বীকার করেন। ঐ সময় পরিস্থিতি শান্ত করার অংশ হিসেবে উপস্থিত লোকজন বাবুল হোসেনের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন।এর পরপরই সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ্ মোঃ মাসুদ রানা,হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আব্দুর রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক সুরুজ মিয়াসহ অন্যান্য নেতারা এসে অধ্যক্ষের কাছে নিয়মবহির্ভূত কমিটি অনুমোদনের ব্যাখ্যা চান।

সন্তোষজনক উত্তর না পাওয়ায় নেতৃবৃন্দ ও সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা প্রধান ফটকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং গোপন কমিটি বাতিলসহ অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি করেন।তবে এই ঘটনার পরদিন ২৮ আগস্ট রাতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বাবুল হোসেনকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার করে রংপুর সদর উপজেলা বিএনপি।

বহিষ্কারাদেশের বিষয়ে বাবুল হোসেন বলেন "ঘটনায় আমার সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না,সাধারণ মানুষের অনুরোধেই আমি সেখানে গিয়েছিলাম।সদর উপজেলা ও জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের প্রতি আমার আকুল আবেদন-ঘটনাটি যেন সঠিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হয়।তদন্তে আমার দোষ প্রমাণিত হলে যেকোনো শাস্তি মাথা পেতে নেব,আর নিরপরাধ প্রমাণিত হলে আমাকে স্বপদে পুনর্বহাল করার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।


বিষয় : বিএনপি বিদ্যালয় শিক্ষা কলেজ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
Daily Nasa News

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটি নিয়ে বিতর্ক,বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি বিএনপি নেতা বাবুলের

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মোঃ আব্দুল কাহার সিদ্দিকী,করেসপন্ডেন্ট,রংপুর। 

রংপুর সদর উপজেলার পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটি গোপনে গঠন এবং পরবর্তীতে দলীয় বহিষ্কারাদেশের ঘটনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মত-বিনিময় করেছেন ২ নং হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সাবেক অভিভাবক সদস্য মোঃ বাবুল হোসেন।

গত রবিবার স্থানীয় সাংবাদিকদের তিনি জানান এডহক কমিটি গঠন বিষয়ে অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন ইতিপূর্বে জানিয়েছিলেন-দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড থেকে এখনো কোনো বিজ্ঞপ্তি আসেনি,এলে সবাইকে জানানো হবে।কিন্তু ২৪ শে আগস্ট বোর্ড থেকে গোপনে আব্দুল গনিকে সভাপতি করে এডহক কমিটি অনুমোদন নিয়ে আসেন অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন।

এই গোপনে কমিটি গঠনের প্রতিবাদ জানাতে ও অধ্যক্ষের কাছে জবাব চাইতে গত ২৭ শে আগস্ট স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ প্রতিষ্ঠানে যান।বাবুল হোসেন জানান সেদিন তিনি স্কুল প্রাঙ্গণে পৌঁছালে উপস্থিত লোকজনের অনুরোধে অধ্যক্ষের কক্ষে যান এবং অনিয়মের মাধ্যমে কমিটি অনুমোদনের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

একপর্যায়ে উপস্থিত সকলে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেন এবং অধ্যক্ষ ভুল স্বীকার করেন। ঐ সময় পরিস্থিতি শান্ত করার অংশ হিসেবে উপস্থিত লোকজন বাবুল হোসেনের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন।এর পরপরই সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ্ মোঃ মাসুদ রানা,হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আব্দুর রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক সুরুজ মিয়াসহ অন্যান্য নেতারা এসে অধ্যক্ষের কাছে নিয়মবহির্ভূত কমিটি অনুমোদনের ব্যাখ্যা চান।

সন্তোষজনক উত্তর না পাওয়ায় নেতৃবৃন্দ ও সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা প্রধান ফটকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং গোপন কমিটি বাতিলসহ অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি করেন।তবে এই ঘটনার পরদিন ২৮ আগস্ট রাতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বাবুল হোসেনকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার করে রংপুর সদর উপজেলা বিএনপি।

বহিষ্কারাদেশের বিষয়ে বাবুল হোসেন বলেন "ঘটনায় আমার সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না,সাধারণ মানুষের অনুরোধেই আমি সেখানে গিয়েছিলাম।সদর উপজেলা ও জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের প্রতি আমার আকুল আবেদন-ঘটনাটি যেন সঠিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হয়।তদন্তে আমার দোষ প্রমাণিত হলে যেকোনো শাস্তি মাথা পেতে নেব,আর নিরপরাধ প্রমাণিত হলে আমাকে স্বপদে পুনর্বহাল করার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।



Daily Nasa News

Editor & Publisher: Shariful Islam
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Nasa News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত