মোঃ রুবেল ইসলাম,তারাগঞ্জ,রংপুর।
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় পানিনিষ্কাশনের নালার মুখে বাঁধ দেওয়ায় জলাবদ্ধতায় শত একর বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।এর প্রতিবাদে গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার তারাগঞ্জ চৌপথী এলাকায় রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।কৃষকেরা জানান উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ফলিমারীর দোলায় চলতি মৌসুমে প্রায় ২৫০ একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে।
সাধারণত বর্ষার পানি ফলিমারী বিল হয়ে সতীপাড়া ঘাট দিয়ে চিকলী নদীতে নেমে যায়।কিন্তু সতীপাড়া ঘাট এলাকায় কুশা গ্রামের খলিলুর রহমান মাছ চাষের জন্য নালার মুখে বাঁধ দেওয়ায় পানিনিষ্কাশন বন্ধ হয়ে গেছে।দিনের বৃষ্টিতে জমে থাকা পানি বের হতে না পেরে অন্তত ১০০ একর জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।পানি না নামলে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।
অভিযোগের বিষয়ে খলিলুর রহমান বলেন তিনি মাছ চাষের জন্য বাঁধ দিয়েছেন।এটি কোনো খাল নয়।ঐ নালা দিয়ে পানি চলে গেলে তার জমির ফসল ও মাছের ক্ষতি হয়।প্রায় তিন লাখ টাকার মাছ রয়েছে।ক্ষতিপূরণ পেলে বাঁধ কেটে দেবেন,তবে এখনো কেউ ক্ষতিপূরণ দেয়নি।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের সাথে আলোচনা হয়েছে।খলিলুর রহমানকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে আংশিক বাঁধ কেটে নালা তৈরি করে পানিনিষ্কাশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
.png)
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
মোঃ রুবেল ইসলাম,তারাগঞ্জ,রংপুর।
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় পানিনিষ্কাশনের নালার মুখে বাঁধ দেওয়ায় জলাবদ্ধতায় শত একর বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।এর প্রতিবাদে গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার তারাগঞ্জ চৌপথী এলাকায় রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।কৃষকেরা জানান উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ফলিমারীর দোলায় চলতি মৌসুমে প্রায় ২৫০ একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে।
সাধারণত বর্ষার পানি ফলিমারী বিল হয়ে সতীপাড়া ঘাট দিয়ে চিকলী নদীতে নেমে যায়।কিন্তু সতীপাড়া ঘাট এলাকায় কুশা গ্রামের খলিলুর রহমান মাছ চাষের জন্য নালার মুখে বাঁধ দেওয়ায় পানিনিষ্কাশন বন্ধ হয়ে গেছে।দিনের বৃষ্টিতে জমে থাকা পানি বের হতে না পেরে অন্তত ১০০ একর জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।পানি না নামলে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।
অভিযোগের বিষয়ে খলিলুর রহমান বলেন তিনি মাছ চাষের জন্য বাঁধ দিয়েছেন।এটি কোনো খাল নয়।ঐ নালা দিয়ে পানি চলে গেলে তার জমির ফসল ও মাছের ক্ষতি হয়।প্রায় তিন লাখ টাকার মাছ রয়েছে।ক্ষতিপূরণ পেলে বাঁধ কেটে দেবেন,তবে এখনো কেউ ক্ষতিপূরণ দেয়নি।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের সাথে আলোচনা হয়েছে।খলিলুর রহমানকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে আংশিক বাঁধ কেটে নালা তৈরি করে পানিনিষ্কাশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন