মোঃ রুবেল ইসলাম তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ারকুটি ও কুর্শা ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনেশ্বরী নদীতে সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ২০গ্রামের প্রায় ২২ হাজার মানুষ।স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ার পরও এখানে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হয়নি।ফলে বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে নৌকা বা কলাগাছের ভেলায় করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়।শুকনো মৌসুমে নদীর পানি কমে গেলেও কাদা, বালু ও পানির কারণে পারাপারে ভোগান্তি কমে না।এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী,কৃষক,শ্রমিক,নারী ও বৃদ্ধরা।
এলাকাবাসী জানান প্রতি বছর বর্ষার আগে তারা নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেন।কিন্তু বন্যা বা পানির স্রোতে কয়েক মাসের মধ্যেই সেটি ভেঙে যায়।ফলে আবারও নৌকা বা অস্থায়ী ব্যবস্থার উপর নির্ভর করতে হয়।দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
.png)
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
মোঃ রুবেল ইসলাম তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ারকুটি ও কুর্শা ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনেশ্বরী নদীতে সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ২০গ্রামের প্রায় ২২ হাজার মানুষ।স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ার পরও এখানে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হয়নি।ফলে বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে নৌকা বা কলাগাছের ভেলায় করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়।শুকনো মৌসুমে নদীর পানি কমে গেলেও কাদা, বালু ও পানির কারণে পারাপারে ভোগান্তি কমে না।এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী,কৃষক,শ্রমিক,নারী ও বৃদ্ধরা।
এলাকাবাসী জানান প্রতি বছর বর্ষার আগে তারা নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেন।কিন্তু বন্যা বা পানির স্রোতে কয়েক মাসের মধ্যেই সেটি ভেঙে যায়।ফলে আবারও নৌকা বা অস্থায়ী ব্যবস্থার উপর নির্ভর করতে হয়।দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন