বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
Daily Nasa News
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬

রংপুর সদর উপজেলার খলেয়া লালচাঁদপুরে জমি দখলের চেষ্টা,ধানের চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ

রংপুর সদর উপজেলার খলেয়া লালচাঁদপুরে জমি দখলের চেষ্টা,ধানের চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ
রংপুর সদর উপজেলার খলেয়া লালচাঁদপুরে জমি দখলের চেষ্টা,ধানের চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ

মোঃ আব্দুল কাহার সিদ্দিকী,জেলা করেসপন্ডেন্ট,রংপুর।

রংপুর সদর উপজেলার ৫ নং খলেয়া ইউনিয়নের লালচাঁদপুর বড়বাড়ি (২ নং ওয়ার্ড) এলাকায় জমি জবরদখল,রোপণ করা ধানের চারা উপড়ে ফেলা এবং জমির মালিক ও কৃষকের ওপর হুমকির অভিযোগ উঠেছে।জবরদখলের এই অপচেষ্টা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করায় ভুক্তভোগীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায় লালচাঁদপুর বড়বাড়ি এলাকায় মোঃ আব্দুল মমিনের মোট ২০ শতক জমি রয়েছে।এর পূর্বে তিনি সেখান থেকে ১২.৫ (সাড়ে ১২) শতক জমি একই এলাকার মোঃ বিন আব্দুল্লাহর কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন এবং সে সুবাদে বিন আব্দুল্লাহর পরিবার তা চাষাবাদ করত।

পরবর্তীতে কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই সেই বন্ধকী জমিকে নিজেদের কেনা জমি বলে দাবি করা শুরু করেন বিন আব্দুল্লাহ ও তার ছেলেরা।এরপর আব্দুল মমিন জমিটি ইসলামুদ্দিন নামে অন্য এক কৃষকের কাছে বন্ধক দেন এবং গত কয়েক বছর ধরে ইসলামুদ্দিন সেখানে চাষাবাদ করে আসছেন।তবে সম্প্রতি বিন আব্দুল্লাহর দুই পুত্র লোকমান ও হারুন উক্ত ২০ শতক জমির মধ্য থেকে ঐ সাড়ে ১২ শতক জমি তাদের নামে লিখে দেওয়ার জন্য আব্দুল মমিন ও তার পুত্র নুরুলের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করা শুরু করে।

ভুক্তভোগীরা জানান বিবাদীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে তাদের প্রতিনিয়ত হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। ঐ সাড়ে ১২ শতক জমি তাদের নামে লিখে না দিলে সেখানে কোনোভাবেই চাষাবাদ করতে দেওয়া হবে না বলে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বিবাদীরা।এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার পূর্ব শত্রুতার জেরে বিবাদী লোকমান ও হারুন জমিতে গিয়ে বর্তমান চাষাবাদকারী কৃষক ইসলামুদ্দিনের রোপণ করা ধানের চারা উপড়ে ফেলে দেয় বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন।এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং চরম আর্থিক 

লোকসানের মুখে পড়েন কৃষক ইসলামুদ্দিন।এ ঘটনার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অনতিবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিবাদীদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন জমির মালিক আব্দুল মমিন,তার পুত্র নুরুল এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইসলামুদ্দিন।

বিষয় : রংপুর সারাদেশ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
Daily Nasa News

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬


রংপুর সদর উপজেলার খলেয়া লালচাঁদপুরে জমি দখলের চেষ্টা,ধানের চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মোঃ আব্দুল কাহার সিদ্দিকী,জেলা করেসপন্ডেন্ট,রংপুর।

রংপুর সদর উপজেলার ৫ নং খলেয়া ইউনিয়নের লালচাঁদপুর বড়বাড়ি (২ নং ওয়ার্ড) এলাকায় জমি জবরদখল,রোপণ করা ধানের চারা উপড়ে ফেলা এবং জমির মালিক ও কৃষকের ওপর হুমকির অভিযোগ উঠেছে।জবরদখলের এই অপচেষ্টা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করায় ভুক্তভোগীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায় লালচাঁদপুর বড়বাড়ি এলাকায় মোঃ আব্দুল মমিনের মোট ২০ শতক জমি রয়েছে।এর পূর্বে তিনি সেখান থেকে ১২.৫ (সাড়ে ১২) শতক জমি একই এলাকার মোঃ বিন আব্দুল্লাহর কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন এবং সে সুবাদে বিন আব্দুল্লাহর পরিবার তা চাষাবাদ করত।

পরবর্তীতে কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই সেই বন্ধকী জমিকে নিজেদের কেনা জমি বলে দাবি করা শুরু করেন বিন আব্দুল্লাহ ও তার ছেলেরা।এরপর আব্দুল মমিন জমিটি ইসলামুদ্দিন নামে অন্য এক কৃষকের কাছে বন্ধক দেন এবং গত কয়েক বছর ধরে ইসলামুদ্দিন সেখানে চাষাবাদ করে আসছেন।তবে সম্প্রতি বিন আব্দুল্লাহর দুই পুত্র লোকমান ও হারুন উক্ত ২০ শতক জমির মধ্য থেকে ঐ সাড়ে ১২ শতক জমি তাদের নামে লিখে দেওয়ার জন্য আব্দুল মমিন ও তার পুত্র নুরুলের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করা শুরু করে।

ভুক্তভোগীরা জানান বিবাদীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে তাদের প্রতিনিয়ত হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। ঐ সাড়ে ১২ শতক জমি তাদের নামে লিখে না দিলে সেখানে কোনোভাবেই চাষাবাদ করতে দেওয়া হবে না বলে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বিবাদীরা।এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার পূর্ব শত্রুতার জেরে বিবাদী লোকমান ও হারুন জমিতে গিয়ে বর্তমান চাষাবাদকারী কৃষক ইসলামুদ্দিনের রোপণ করা ধানের চারা উপড়ে ফেলে দেয় বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন।এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং চরম আর্থিক 

লোকসানের মুখে পড়েন কৃষক ইসলামুদ্দিন।এ ঘটনার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অনতিবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিবাদীদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন জমির মালিক আব্দুল মমিন,তার পুত্র নুরুল এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইসলামুদ্দিন।


Daily Nasa News

Editor & Publisher: Shariful Islam
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Nasa News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত