মোঃ শাহ আলম মিয়া কোটালিপাড়া
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে শুরু হয় দৌড় ঝাপ। সকল প্রকার আইনি প্রক্রীয়া শেষে শনিবার বিকালে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে মেলে প্যারোলে মুক্তি। চির বিদায়ীত বাবার বদন খানি শেষ বারের মত দর্শন করার লক্ষে শুরু হয় বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা।রাত এগারোটায় আইন-শৃংখলা বাহীনির কঠোর নিরাপত্বার মধ্য দিয়ে পৌর চত্বরে নিয়ে আসা হয় আগতুক'কে।হাতে হাতকড়া পরা অবস্থায় পিতার ২য় জানাজায় অংশ গ্রহন করেন মরহুম পিতার বড় সন্তান,পৌর সভার সাবেক মেয়র, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী কামাল হোসেন সেখ।
দীর্ঘদিন জেল বন্দি থাকার পর তাহার বাড়ি আসার খবর পেয়ে এক নজর দেখার জন্য বিকাল থেকেই ভিড় জমাতে থাকে উপজেলা বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী,পাড়া প্রতিবেশী ও স্বজনেরা।রাতে ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আইন-শৃংখলা বাহীনিকে।মোতায়েন করা হয় অতিরীক্ত ফোর্স।নিরাপত্বার চাদরে ঢেকে ফেলা হয় উপজেলা চত্বর সহ চার পাশ।দেশের মাটিতে পা রেখে বাবার লাশ দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি। এ সময় অস্রুশিক্ত হয়ে পড়েন উপস্থিত সকলে।
আইন-শৃংখলা বাহীনির নির্দেশ মোতাবেক স্বল্প সময়ের মধ্যে শেষ করা হয় দাফন কাফনের আনুষ্ঠানিকতা।সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপস্থিত সকলের কাছে বাবার জন্য চাইলেন ক্ষমা ও দোয়া।গভীর রাতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্বার মধ্য দিয়ে কামালকে বহনকারী প্রীজন ভ্যান ফের ছুটে চলে কাশিম পুরের উদ্দেশ্যে।উল্যেখ্য সাবেক মেয়র হাজী কামাল হোসেনের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী লুৎফর রহমান সেখ গত শুক্রবার দিবাগত রাতে নিজ গৃহে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
বিষয় : গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়া
.png)
সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
মোঃ শাহ আলম মিয়া কোটালিপাড়া
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে শুরু হয় দৌড় ঝাপ। সকল প্রকার আইনি প্রক্রীয়া শেষে শনিবার বিকালে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে মেলে প্যারোলে মুক্তি। চির বিদায়ীত বাবার বদন খানি শেষ বারের মত দর্শন করার লক্ষে শুরু হয় বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা।রাত এগারোটায় আইন-শৃংখলা বাহীনির কঠোর নিরাপত্বার মধ্য দিয়ে পৌর চত্বরে নিয়ে আসা হয় আগতুক'কে।হাতে হাতকড়া পরা অবস্থায় পিতার ২য় জানাজায় অংশ গ্রহন করেন মরহুম পিতার বড় সন্তান,পৌর সভার সাবেক মেয়র, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী কামাল হোসেন সেখ।
দীর্ঘদিন জেল বন্দি থাকার পর তাহার বাড়ি আসার খবর পেয়ে এক নজর দেখার জন্য বিকাল থেকেই ভিড় জমাতে থাকে উপজেলা বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী,পাড়া প্রতিবেশী ও স্বজনেরা।রাতে ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আইন-শৃংখলা বাহীনিকে।মোতায়েন করা হয় অতিরীক্ত ফোর্স।নিরাপত্বার চাদরে ঢেকে ফেলা হয় উপজেলা চত্বর সহ চার পাশ।দেশের মাটিতে পা রেখে বাবার লাশ দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি। এ সময় অস্রুশিক্ত হয়ে পড়েন উপস্থিত সকলে।
আইন-শৃংখলা বাহীনির নির্দেশ মোতাবেক স্বল্প সময়ের মধ্যে শেষ করা হয় দাফন কাফনের আনুষ্ঠানিকতা।সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপস্থিত সকলের কাছে বাবার জন্য চাইলেন ক্ষমা ও দোয়া।গভীর রাতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্বার মধ্য দিয়ে কামালকে বহনকারী প্রীজন ভ্যান ফের ছুটে চলে কাশিম পুরের উদ্দেশ্যে।উল্যেখ্য সাবেক মেয়র হাজী কামাল হোসেনের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী লুৎফর রহমান সেখ গত শুক্রবার দিবাগত রাতে নিজ গৃহে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন