বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক নাসা নিউজ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার খরমপুর কেল্লা বাবা (রহঃ) মাজার প্রাঙ্গণে সাত মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে চলে যাওয়ার ঘটনা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উদ্ধার হওয়া শিশুটি বর্তমানে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ২৫ শে জুলাই শনিবার রাতে এক নারী মাজারের পুকুরঘাটের পাশে শিশুটিকে নিয়ে বসেছিলেন।কিছুক্ষণ পর তিনি কৌশলে শিশুটিকে সেখানে রেখে চলে যান। দীর্ঘ সময় ধরে শিশুটির কান্নার শব্দ শুনে মাজারের খাদেম ও উপস্থিত লোকজন এগিয়ে এসে চারপাশে খোঁজাখুঁজি করলেও ওই নারীর কোনো সন্ধান পাননি।
পরে বিষয়টি আখাউড়া থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে শিশুটি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলেও মায়ের অনুপস্থিতিতে বারবার কান্নাকাটি করছে।হাসপাতালের নার্স ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা তার দেখভাল করছেন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।তবে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।পুলিশ জানিয়েছে শিশুটির প্রকৃত বাবা-মায়ের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।পাশাপাশি কেন শিশুটিকে ফেলে যাওয়া হয়েছে,সে বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
.png)
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক নাসা নিউজ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার খরমপুর কেল্লা বাবা (রহঃ) মাজার প্রাঙ্গণে সাত মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে চলে যাওয়ার ঘটনা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উদ্ধার হওয়া শিশুটি বর্তমানে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ২৫ শে জুলাই শনিবার রাতে এক নারী মাজারের পুকুরঘাটের পাশে শিশুটিকে নিয়ে বসেছিলেন।কিছুক্ষণ পর তিনি কৌশলে শিশুটিকে সেখানে রেখে চলে যান। দীর্ঘ সময় ধরে শিশুটির কান্নার শব্দ শুনে মাজারের খাদেম ও উপস্থিত লোকজন এগিয়ে এসে চারপাশে খোঁজাখুঁজি করলেও ওই নারীর কোনো সন্ধান পাননি।
পরে বিষয়টি আখাউড়া থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে শিশুটি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলেও মায়ের অনুপস্থিতিতে বারবার কান্নাকাটি করছে।হাসপাতালের নার্স ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা তার দেখভাল করছেন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।তবে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।পুলিশ জানিয়েছে শিশুটির প্রকৃত বাবা-মায়ের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।পাশাপাশি কেন শিশুটিকে ফেলে যাওয়া হয়েছে,সে বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন