শফিকুল ইসলাম,জেলা করেসপন্ডেন্ট,চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তর,পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রমে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ রবিবার ৭ ই জুন সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর অনুপ্রেরণায় সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) চাঁপাইনবাবগঞ্জ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশে পরিণত হয়েছে।নদী ভাঙন,খরা,বন্যা, ঘূর্ণিঝড়,লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং জীব বৈচিত্র্যের ক্ষয় দেশের পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নীতি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন জলাভূমি দখল,বন উজাড়,প্লাস্টিক দূষণ এবং অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিবেশের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।পরিবেশ সংরক্ষণে বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ, পরিবেশবিষয়ক অপরাধ দমন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সনাক চাঁপাইনবাবগঞ্জের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রেজা, সিসিডিবির এরিয়া ম্যানেজার পিটার সরকার,প্রোগ্রাম অফিসার লিটন বাইড,সনাক সদস্য গোলাম ফারুক মিথুন,আব্দুল খালেক,আমিনুল ইসলাম আবীর,কানাই চন্দ্র দাস, ডলি আরা বেগম, মর্জিনা রহমান ও এনামুল হকসহ অন্যান্য সদস্যরা।সমাবেশ থেকে টিআইবি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি ১২ দফা সুপারিশ তুলে ধরে।
এর মধ্যে রয়েছে-জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তরের জন্য সমন্বিত জ্বালানি নীতি প্রণয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি,স্থানীয়ভাবে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানো,পরিবেশ আদালত আইন সংশোধন, পরিবেশ বিষয়ক সংগঠিত অপরাধ দমনে বিদ্যমান আইনের কার্যকর প্রয়োগ, জলাভূমি দখল ও বন উজাড় বন্ধ, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ,দুর্যোগকালীন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রটোকল প্রণয়ন এবং জ্বালানি ও পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।বক্তারা বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও সাধারণ জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।একই সঙ্গে পরিবেশ ও জ্বালানি খাতে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
বিষয় : সারাদেশ রাজশাহী চাপাইনবাবগঞ্জ
.png)
রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
শফিকুল ইসলাম,জেলা করেসপন্ডেন্ট,চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তর,পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রমে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ রবিবার ৭ ই জুন সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর অনুপ্রেরণায় সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) চাঁপাইনবাবগঞ্জ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশে পরিণত হয়েছে।নদী ভাঙন,খরা,বন্যা, ঘূর্ণিঝড়,লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং জীব বৈচিত্র্যের ক্ষয় দেশের পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নীতি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন জলাভূমি দখল,বন উজাড়,প্লাস্টিক দূষণ এবং অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিবেশের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।পরিবেশ সংরক্ষণে বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ, পরিবেশবিষয়ক অপরাধ দমন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সনাক চাঁপাইনবাবগঞ্জের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রেজা, সিসিডিবির এরিয়া ম্যানেজার পিটার সরকার,প্রোগ্রাম অফিসার লিটন বাইড,সনাক সদস্য গোলাম ফারুক মিথুন,আব্দুল খালেক,আমিনুল ইসলাম আবীর,কানাই চন্দ্র দাস, ডলি আরা বেগম, মর্জিনা রহমান ও এনামুল হকসহ অন্যান্য সদস্যরা।সমাবেশ থেকে টিআইবি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি ১২ দফা সুপারিশ তুলে ধরে।
এর মধ্যে রয়েছে-জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তরের জন্য সমন্বিত জ্বালানি নীতি প্রণয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি,স্থানীয়ভাবে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানো,পরিবেশ আদালত আইন সংশোধন, পরিবেশ বিষয়ক সংগঠিত অপরাধ দমনে বিদ্যমান আইনের কার্যকর প্রয়োগ, জলাভূমি দখল ও বন উজাড় বন্ধ, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ,দুর্যোগকালীন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রটোকল প্রণয়ন এবং জ্বালানি ও পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।বক্তারা বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও সাধারণ জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।একই সঙ্গে পরিবেশ ও জ্বালানি খাতে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন