শফিকুল ইসলাম জেলা,করেসপন্ডেন্ট,চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের (Measles) সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।আজ শুক্রবার ১২ ই জুন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে অদ্যাবধি জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সর্বমোট ১ হাজার ৫২২ জন সন্দেহ জনক হামের রোগী ভর্তি হয়েছেন।সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
একই সময়ে ৫ জন রোগী সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং ১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে।বর্তমানে জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে কোনো রোগী ভর্তি নেই।শিবগঞ্জ,গোমস্তাপুর,নাচোল ও ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের কোনো রোগী চিকিৎসাধীন নেই।তবে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে বর্তমানে ১১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।স্বাস্থ্য বিভাগ জানায় এ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা ২০৮টি নমুনা পরীক্ষার মধ্যে ৪৩ জনের শরীরে হাম রোগের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে।
এদিকে চলতি বছরে জেলায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে মোট ৭ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা অভিভাবকদের শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার পাশাপাশি হাম রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন।
বিষয় : সারাদেশ রাজশাহী চাপাইনবাবগঞ্জ
.png)
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
শফিকুল ইসলাম জেলা,করেসপন্ডেন্ট,চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের (Measles) সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।আজ শুক্রবার ১২ ই জুন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে অদ্যাবধি জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সর্বমোট ১ হাজার ৫২২ জন সন্দেহ জনক হামের রোগী ভর্তি হয়েছেন।সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
একই সময়ে ৫ জন রোগী সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং ১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে।বর্তমানে জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে কোনো রোগী ভর্তি নেই।শিবগঞ্জ,গোমস্তাপুর,নাচোল ও ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের কোনো রোগী চিকিৎসাধীন নেই।তবে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে বর্তমানে ১১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।স্বাস্থ্য বিভাগ জানায় এ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা ২০৮টি নমুনা পরীক্ষার মধ্যে ৪৩ জনের শরীরে হাম রোগের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে।
এদিকে চলতি বছরে জেলায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে মোট ৭ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা অভিভাবকদের শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার পাশাপাশি হাম রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন