স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক নাসা নিউজ।প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের একটি সিটি কাউন্সিলে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণ করা হয়েছে।হ্যামট্রমিক শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত "কারপেন্টার স্ট্রিট" এখন থেকে "খালেদা জিয়া স্ট্রিট" নামে পরিচিত হবে।এই পদক্ষেপকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বাংলাদেশের ইতিহাস, নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতি এক অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।সিটি কাউন্সিলের সর্বশেষ সভায় হ্যামট্রমিক সিটির জোসেফ ক্যাম্পাও এবং কোনাল্ট স্ট্রিটের মধ্যবর্তী অংশকে বেগম খালেদা জিয়ার নামে নামকরণের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে শহর কর্তৃপক্ষ প্রমাণ করেছে যে,তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাস ও নেতৃত্বের গুরুত্বকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিচ্ছে।প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলেছেন এই নামকরণ শুধুমাত্র একটি সড়কের নাম নয়,বরং এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং বাংলাদেশের নারীর নেতৃত্বের প্রতি সম্মান প্রকাশ করছে।বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও প্রবাসীদের কাছে তার জনপ্রিয়তা এই পদক্ষেপের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।খালেদা জিয়ার জীবন রাজনীতির বিভিন্ন দিককে স্পর্শ করেছে।প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার নেতৃত্ব,কঠিন সময়েও গণতন্ত্রের প্রতি অবিচল সমর্থন এবং রাজনৈতিক সংকটে ধৈর্য্য প্রদর্শনের কারণে তাকে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য করা হয়।হ্যামট্রমিক সিটি কর্তৃপক্ষ তার জীবন ও অবদানকে এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে।সিটি কাউন্সিলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সড়ক নামকরণের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ম এবং স্থানীয় কমিউনিটি দ্বারা অনুমোদিত। তারা বলছেন এটি স্থানীয় ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে গর্ব ও পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করা হবে।এই নামকরণ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠনের নজর কাড়েছে।প্রবাসীরা মনে করছেন এটি শুধু বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কর্মজীবনের সম্মান নয়,বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার সুযোগ।হ্যামট্রমিক শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় এই নামকরণ স্থানীয় ব্যবসা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ জনগণকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করবে। স্থানীয় প্রশাসনের মতে,এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে গর্ব ও জাতীয়তার অনুভূতি জাগ্রত করবে।সড়কটি নতুন নামে পরিচিত হওয়ার পর স্থানীয় সরকারের উদ্যোগে একটি আনুষ্ঠানিক উন্মোচন অনুষ্ঠানও আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।অনুষ্ঠানে স্থানীয় কর্মকর্তা, প্রবাসী কমিউনিটি এবং বাংলাদেশি রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত থাকবেন।প্রবাসী ও স্থানীয় বাংলাদেশি নাগরিকরা জানিয়েছেন এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগ,যা বাংলাদেশি নেতা ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেবে।তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতে আরও শহরে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের নামে রাস্তা, সড়ক বা পাবলিক স্পেস নামকরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।