সাধীন আলম হোসেন,নাটোর।
নাটোরের লালপুর উপজেলার একটি পুকুর ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত একটি পোস্টকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জমির মালিক মোঃ আবুল কাশেম। গতকাল রবিবার ২৮ শে জুন দুড়দুড়িয়া ইউনিয়ন গন্ডবিল গ্রামে নিজ বাসভবনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
তিনি জানান গত ২৬ শে জুন ২০২৬ ইং তারিখে বিদেশে অবস্থানরত আশফাক আহমেদের ফেসবুক আইডি থেকে "মন্ত্রী পুতুলের ক্ষমতায় সাবেক সেনা সদস্যের জমি দখল করে পুকুর খনন ও মাটি বিক্রয়, ভুক্তভোগী কোথাও বিচার পাচ্ছে না" শিরোনামে যে পোস্টটি প্রকাশ করা হয়েছে,তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন,অসত্য ও বিভ্রান্তিকর।
আবুল কাশেম বলেন তিনি ক্রয়সূত্রে উক্ত জমির বৈধ মালিক এবং দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখলে রয়েছেন।প্রায় ২৫ বছরের পুরোনো একটি পুকুর তিনি বর্তমানে সংস্কার করছেন।জমির মালিকানা প্রমাণে সকল বৈধ কাগজপত্র তিনি সাংবাদিকদের পর্যালোচনার জন্য উপস্থাপন করেছেন।
তিনি আরও বলেন ফেসবুক পোস্টে যাকে ভুক্তভোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তিনি এই জমির মালিক নন।তাই জমি দখল,মাটি বিক্রি কিংবা প্রভাব খাটিয়ে কাজ করার যে অভিযোগ আনা হয়েছে,তার কোনো সত্যতা নেই।তিনি আরো বলেন "আমি আইনকে শ্রদ্ধা করি এবং দেশের প্রচলিত আইন মেনেই সব কার্যক্রম পরিচালনা করছি।আমি কখনো কারও প্রতি অন্যায় করিনি এবং ভবিষ্যতেও করব না।"
এ সময় তিনি মাননীয় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল এবং তাঁর নাম ব্যবহার করে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার আহ্বান জানান।সাংবাদিকসহ প্রশাসনের প্রতি তিনি অনুরোধ জানান, প্রকৃত তথ্য যাচাই জন্য।
.png)
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
সাধীন আলম হোসেন,নাটোর।
নাটোরের লালপুর উপজেলার একটি পুকুর ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত একটি পোস্টকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জমির মালিক মোঃ আবুল কাশেম। গতকাল রবিবার ২৮ শে জুন দুড়দুড়িয়া ইউনিয়ন গন্ডবিল গ্রামে নিজ বাসভবনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
তিনি জানান গত ২৬ শে জুন ২০২৬ ইং তারিখে বিদেশে অবস্থানরত আশফাক আহমেদের ফেসবুক আইডি থেকে "মন্ত্রী পুতুলের ক্ষমতায় সাবেক সেনা সদস্যের জমি দখল করে পুকুর খনন ও মাটি বিক্রয়, ভুক্তভোগী কোথাও বিচার পাচ্ছে না" শিরোনামে যে পোস্টটি প্রকাশ করা হয়েছে,তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন,অসত্য ও বিভ্রান্তিকর।
আবুল কাশেম বলেন তিনি ক্রয়সূত্রে উক্ত জমির বৈধ মালিক এবং দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখলে রয়েছেন।প্রায় ২৫ বছরের পুরোনো একটি পুকুর তিনি বর্তমানে সংস্কার করছেন।জমির মালিকানা প্রমাণে সকল বৈধ কাগজপত্র তিনি সাংবাদিকদের পর্যালোচনার জন্য উপস্থাপন করেছেন।
তিনি আরও বলেন ফেসবুক পোস্টে যাকে ভুক্তভোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তিনি এই জমির মালিক নন।তাই জমি দখল,মাটি বিক্রি কিংবা প্রভাব খাটিয়ে কাজ করার যে অভিযোগ আনা হয়েছে,তার কোনো সত্যতা নেই।তিনি আরো বলেন "আমি আইনকে শ্রদ্ধা করি এবং দেশের প্রচলিত আইন মেনেই সব কার্যক্রম পরিচালনা করছি।আমি কখনো কারও প্রতি অন্যায় করিনি এবং ভবিষ্যতেও করব না।"
এ সময় তিনি মাননীয় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল এবং তাঁর নাম ব্যবহার করে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার আহ্বান জানান।সাংবাদিকসহ প্রশাসনের প্রতি তিনি অনুরোধ জানান, প্রকৃত তথ্য যাচাই জন্য।
.png)
আপনার মতামত লিখুন