শফিকুল ইসলাম,জেলা করেসপন্ডেন্ট,চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে হাম (মিজেলস) প্রাদুর্ভাব নির্মূল এবং টিকাদান কার্যক্রমকে সফল করতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগের কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন "আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি নেই।পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে"।তিনি জানান গত তিন দিনে আক্রান্তের হার কমছে এবং রবিবার থেকে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।
সভায় তিনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন।এর মধ্যে রয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মসজিদে খুতবায় সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার এবং প্রয়োজনে মাইকিং করার নির্দেশ।এছাড়া প্রতিটি হাসপাতালে "হাম-মিজেলস কর্নার" স্থাপন এবং বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে আইসোলেশন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন ডিসি ও সিভিল সার্জনদের।
তিনি আরও বলেন "কোঅর্ডিনেশনের কোনো ঘাটতি থাকবে না এবং অর্থের কোনো অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়"।হাসপাতালের মানোন্নয়নের জন্য ইউএনওদের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করে মডেল হাসপাতাল গড়ার উপর জোর দেওয়া হবে।টিকাদান কর্মীদের যাতায়াতে জ্বালানি বা যানবাহনের ঘাটতি থাকলে তা জরুরি ভিত্তিতে সমাধান করা হবে।
জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক মোঃ হারুনুর রশীদ এবং পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। সভায় বক্তারা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দ্রুত এই প্রাদুর্ভাব কাটিয়ে ওঠার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিষয় : সারাদেশ রাজশাহী চাপাইনবাবগঞ্জ
.png)
রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
শফিকুল ইসলাম,জেলা করেসপন্ডেন্ট,চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে হাম (মিজেলস) প্রাদুর্ভাব নির্মূল এবং টিকাদান কার্যক্রমকে সফল করতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগের কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন "আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি নেই।পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে"।তিনি জানান গত তিন দিনে আক্রান্তের হার কমছে এবং রবিবার থেকে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।
সভায় তিনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন।এর মধ্যে রয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মসজিদে খুতবায় সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার এবং প্রয়োজনে মাইকিং করার নির্দেশ।এছাড়া প্রতিটি হাসপাতালে "হাম-মিজেলস কর্নার" স্থাপন এবং বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে আইসোলেশন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন ডিসি ও সিভিল সার্জনদের।
তিনি আরও বলেন "কোঅর্ডিনেশনের কোনো ঘাটতি থাকবে না এবং অর্থের কোনো অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়"।হাসপাতালের মানোন্নয়নের জন্য ইউএনওদের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করে মডেল হাসপাতাল গড়ার উপর জোর দেওয়া হবে।টিকাদান কর্মীদের যাতায়াতে জ্বালানি বা যানবাহনের ঘাটতি থাকলে তা জরুরি ভিত্তিতে সমাধান করা হবে।
জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক মোঃ হারুনুর রশীদ এবং পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। সভায় বক্তারা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দ্রুত এই প্রাদুর্ভাব কাটিয়ে ওঠার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন