মোঃ বাবুল হোসেন,পাঁচবিবি,জয়পুরহাট।
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোঃ ফরিদ হোসেন (৬৭) আশ্রয় কেন্দ্রে বসবাস করা বৃদ্ধকে ধারালো অস্ত্রে জখম করার অভিযোগ উঠেছে মোঃ শাহিন হোসেন নামের একজন জেল পুলিশের বিরুদ্ধে।গুরুতর আহত ফরিদ মহিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।গত শুক্রবার ২৭ শে মার্চ সকালে উপজেলার বালিঘাটা ইউনিয়নের উত্তর গনেশপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বালিঘাটা ইউনিয়নের উত্তর গনেশপুর গ্রামের মৃত ফকির উদ্দিনের পুত্র ফরিদ হোসেন বাড়ির পাশে কলা গাছ রোপন করে। কলা গাছের পাতা উপজেলার আটাপুর ইউপির ধাওয়াইপুরের জসমত মন্ডলের পুত্র শাহিন হোসেনের (বর্তমানে জেল পুলিশ হিসাবে কর্মরত) বাড়ির দেওয়ালে ঘেঁষ লাগানো কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডা হয়।এরই এক পর্যায়ে শাহিন ও তার ছেলে মোরছালিন দেশিয় অস্ত্র দিয়ে ফরিদকে কোপাতে থাকে।
এসময় ফরিদের আত্ব-চিৎকারে প্রতিবেশিরা তাকে উদ্ধার করে মহিপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রত্যক্ষদর্শী মাসুদা বেগম,আব্দুস সামাদ সহ একাধিক ব্যক্তি বলেন শাহিন জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পুলিশের চাকুরী করেন।পুলিশের চাকরি করায় সে এলাকার মানুষকে মানুষই মনে করেনা।আইনের লোক হয়ে সামান্য একটা কলা গাছের পাতার জন্য নিরহ মানুষকে এভাবে কেউ মারে।তার বিচার হওয়া দরকার বলে জানান একাধিক এলাকাবাসী।
স্থানীয় আটাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আ,স,ম সামছুল আরেফিন চৌধুরী আবু বলেন লোক মুখে মারামারির ঘটনাটি শুনেছি। তবে কোন পক্ষই আমার কাছে আসেনি।এবিষয়ে জানতে শাহিনের ব্যক্তিগত (০১৭০১৯২৭৯৬৪) মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিয়ে ফোনটি বন্ধ পাওয়াই তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম জানান তার স্বামী শাহিন বৃহস্পতিবার ২৬ শে মার্চ ডিউটি শেষে বাড়ীতে আসেন।সকালে এই সামান্য বিষয়ে প্রতিবেশি ফরিদের সাথে কথাকাটি হয়।এক পর্যায়ে সে আমাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে আমার স্বামী ও ছেলে তাকে মারধর করেছে।
পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজ মোঃ রায়হান বলেন গুরুত্বর আহত অবস্থায় ভিকটিম থানায় আসলে তৎক্ষনাত ভিকটিম কে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জয়পুরহাট জেলা কারাগারের জেলার (ভারপ্রাপ্ত) তোফায়েল আহম্মেদ খাঁন বলেন এ ব্যাপারে আমাদের নিকট কেউ অভিযোগ করেননি।অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।তবে ঘটনার দিন শাহিনের কর্মস্থলেই থাকার কথা ছিলো।তার কোন ছুটি ছিলো না বলে তিনি জানান।
.png)
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
মোঃ বাবুল হোসেন,পাঁচবিবি,জয়পুরহাট।
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোঃ ফরিদ হোসেন (৬৭) আশ্রয় কেন্দ্রে বসবাস করা বৃদ্ধকে ধারালো অস্ত্রে জখম করার অভিযোগ উঠেছে মোঃ শাহিন হোসেন নামের একজন জেল পুলিশের বিরুদ্ধে।গুরুতর আহত ফরিদ মহিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।গত শুক্রবার ২৭ শে মার্চ সকালে উপজেলার বালিঘাটা ইউনিয়নের উত্তর গনেশপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বালিঘাটা ইউনিয়নের উত্তর গনেশপুর গ্রামের মৃত ফকির উদ্দিনের পুত্র ফরিদ হোসেন বাড়ির পাশে কলা গাছ রোপন করে। কলা গাছের পাতা উপজেলার আটাপুর ইউপির ধাওয়াইপুরের জসমত মন্ডলের পুত্র শাহিন হোসেনের (বর্তমানে জেল পুলিশ হিসাবে কর্মরত) বাড়ির দেওয়ালে ঘেঁষ লাগানো কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডা হয়।এরই এক পর্যায়ে শাহিন ও তার ছেলে মোরছালিন দেশিয় অস্ত্র দিয়ে ফরিদকে কোপাতে থাকে।
এসময় ফরিদের আত্ব-চিৎকারে প্রতিবেশিরা তাকে উদ্ধার করে মহিপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রত্যক্ষদর্শী মাসুদা বেগম,আব্দুস সামাদ সহ একাধিক ব্যক্তি বলেন শাহিন জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পুলিশের চাকুরী করেন।পুলিশের চাকরি করায় সে এলাকার মানুষকে মানুষই মনে করেনা।আইনের লোক হয়ে সামান্য একটা কলা গাছের পাতার জন্য নিরহ মানুষকে এভাবে কেউ মারে।তার বিচার হওয়া দরকার বলে জানান একাধিক এলাকাবাসী।
স্থানীয় আটাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আ,স,ম সামছুল আরেফিন চৌধুরী আবু বলেন লোক মুখে মারামারির ঘটনাটি শুনেছি। তবে কোন পক্ষই আমার কাছে আসেনি।এবিষয়ে জানতে শাহিনের ব্যক্তিগত (০১৭০১৯২৭৯৬৪) মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিয়ে ফোনটি বন্ধ পাওয়াই তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম জানান তার স্বামী শাহিন বৃহস্পতিবার ২৬ শে মার্চ ডিউটি শেষে বাড়ীতে আসেন।সকালে এই সামান্য বিষয়ে প্রতিবেশি ফরিদের সাথে কথাকাটি হয়।এক পর্যায়ে সে আমাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে আমার স্বামী ও ছেলে তাকে মারধর করেছে।
পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজ মোঃ রায়হান বলেন গুরুত্বর আহত অবস্থায় ভিকটিম থানায় আসলে তৎক্ষনাত ভিকটিম কে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জয়পুরহাট জেলা কারাগারের জেলার (ভারপ্রাপ্ত) তোফায়েল আহম্মেদ খাঁন বলেন এ ব্যাপারে আমাদের নিকট কেউ অভিযোগ করেননি।অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।তবে ঘটনার দিন শাহিনের কর্মস্থলেই থাকার কথা ছিলো।তার কোন ছুটি ছিলো না বলে তিনি জানান।
.png)
আপনার মতামত লিখুন