মোঃ আশিক আলী,করেসপন্ডেন্ট,মিরপুর,কুষ্টিয়া।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলার রক্ষাকারীদের নাকের ডগায় বেড়ে উঠছে একটি গাঁজার বাগান।জংশনের ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম সংলগ্ন পুকুর পাড় এবং পোড়াদহ রেলওয়ে থানার সীমানা ঘেঁষেই প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো এসব গাঁজা গাছ এখন রীতিমতো বাগানে রূপ নিয়েছে।সরেজমিনে দেখা যায় পোড়াদহ রেলওয়ে থানার সীমানার ঠিক পাশেই এবং ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পেছনের পুকুর পাড়ে ঝোপঝাড়ের মধ্যে অসংখ্য গাঁজা গাছ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। কোনো কোনো গাছ উচ্চতায় ২থেকে ৩ফুট পর্যন্ত বড় হয়ে গেছে।
স্থানীয়দের দাবি এগুলো পরিকল্পিতভাবে লাগানো না হলেও অযত্নে অবহেলায় প্রাকৃতিক ভাবেই এখানে বিশাল বাগান তৈরি হয়েছে।জনমনে প্রশ্ন ও নিরাপত্তা ঝুঁকি থানার এতো কাছে নিষিদ্ধ মাদক দ্রব্যের এমন অবাধ বিস্তার নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান নজরদারির অভাব।পুলিশের একদম পাশেই মাদক গাছ বড় হচ্ছে অথচ কারো চোখে পড়ছে না,এটা বিস্ময়কর।
মাদকসেবীদের আড্ডাঃ এই বাগানের খবর ছড়িয়ে পড়ায় রাতের আঁধারে এখানে মাদকসেবীদের আনাগোনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন যাত্রীরা।
আইনি পদক্ষেপঃ সচেতন মহলের মতে, দ্রুত এই গাছগুলো উপড়ে ফেলে ধ্বংস করা না হলে এখান থেকে মাদক ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
এ বিষয়টি নিয়ে রেলওয়ে থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান ঝোপঝাড়ের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে কিছু গাছ জন্মানোর খবর তাদের নজরে আসেনি।তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গাছগুলো ধ্বংস করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের নাকের ডগায় নিষিদ্ধ এই মাদক গাছের বাগান এখন এলাকার টক অফ দ্য টাউন। সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুত এই বাগান পরিষ্কার করে জংশন এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখা হোক।
.png)
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
মোঃ আশিক আলী,করেসপন্ডেন্ট,মিরপুর,কুষ্টিয়া।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলার রক্ষাকারীদের নাকের ডগায় বেড়ে উঠছে একটি গাঁজার বাগান।জংশনের ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম সংলগ্ন পুকুর পাড় এবং পোড়াদহ রেলওয়ে থানার সীমানা ঘেঁষেই প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো এসব গাঁজা গাছ এখন রীতিমতো বাগানে রূপ নিয়েছে।সরেজমিনে দেখা যায় পোড়াদহ রেলওয়ে থানার সীমানার ঠিক পাশেই এবং ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পেছনের পুকুর পাড়ে ঝোপঝাড়ের মধ্যে অসংখ্য গাঁজা গাছ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। কোনো কোনো গাছ উচ্চতায় ২থেকে ৩ফুট পর্যন্ত বড় হয়ে গেছে।
স্থানীয়দের দাবি এগুলো পরিকল্পিতভাবে লাগানো না হলেও অযত্নে অবহেলায় প্রাকৃতিক ভাবেই এখানে বিশাল বাগান তৈরি হয়েছে।জনমনে প্রশ্ন ও নিরাপত্তা ঝুঁকি থানার এতো কাছে নিষিদ্ধ মাদক দ্রব্যের এমন অবাধ বিস্তার নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান নজরদারির অভাব।পুলিশের একদম পাশেই মাদক গাছ বড় হচ্ছে অথচ কারো চোখে পড়ছে না,এটা বিস্ময়কর।
মাদকসেবীদের আড্ডাঃ এই বাগানের খবর ছড়িয়ে পড়ায় রাতের আঁধারে এখানে মাদকসেবীদের আনাগোনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন যাত্রীরা।
আইনি পদক্ষেপঃ সচেতন মহলের মতে, দ্রুত এই গাছগুলো উপড়ে ফেলে ধ্বংস করা না হলে এখান থেকে মাদক ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
এ বিষয়টি নিয়ে রেলওয়ে থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান ঝোপঝাড়ের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে কিছু গাছ জন্মানোর খবর তাদের নজরে আসেনি।তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গাছগুলো ধ্বংস করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের নাকের ডগায় নিষিদ্ধ এই মাদক গাছের বাগান এখন এলাকার টক অফ দ্য টাউন। সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুত এই বাগান পরিষ্কার করে জংশন এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখা হোক।
.png)
আপনার মতামত লিখুন