মোঃ আশিক আলী, করেসপন্ডেন্ট,মিরপুর,কুষ্টিয়া।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ গ্রামে এক গৃহবধূর বসতঘর থেকে মূল্যবান স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় পুলিশ তৎপর হয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে।গতকাল রাত পর্যন্ত পুলিশের চলমান অভিযানে চুরি যাওয়া অধিকাংশ অলংকার উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
এ ঘটনায় মিরপুর থানায় মামলা নং-১৫ (ধারা- ৪৫৭/৩৮০) রুজু করা হয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূ মোছাঃ সীমা আক্তার স্বপ্না (৩২) বাদী হয়ে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।এতে তিনি উল্লেখ করেন গত ১ লা নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তার পোড়াদহ উত্তরপাড়াস্থ বসতঘরের শয়নকক্ষে থাকা শোকেসের ড্রয়ার ভেঙে প্রায় সাড়ে ৬ লক্ষ টাকার স্বর্ণালংকার চুরি হয়।
ঘটনার সময় তিনি ও তার মেয়ে গ্রামের মধ্যে বেড়াতে গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। মিরপুর থানার ওসি জানান এজাহারে ১নং আসামী মোঃ সিহাব শেখ (২৩), ২নং আসামী মোছাঃ শারমিন আক্তার (৩০),৩নং আসামী মোঃ শাহিনুর রহমান (৪৫),৪নং আসামী মোঃ মাসুদ রানা (৪০) ও ৫নং আসামী মোঃ তরিকুল ইসলাম (২৮)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামী করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি ১নং আসামী সিহাব শেখকে অপর একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়।এ সময় ২নং আসামী শারমিন আক্তার আত্মহত্যার চেষ্টায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গতকাল ২২ শে ফেব্রুয়ারি জিজ্ঞাসাবাদের মুখে শারমিন চুরির ঘটনায় নিজের ও সিহাবের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান ৩নং আসামী শাহিনুর রহমানের নিকট কিছু অলংকার বন্ধকী রাখা হয়েছে এবং ৪নং ও ৫নং আসামীর নিকট বাকি অলংকার বিক্রয় করা হয়েছে।
পুলিশ শারমিনের তথ্যমতে অভিযান চালিয়ে ৩নং আসামীর কাছ থেকে একজোড়া রুলি ও একটি পাটি চেইন উদ্ধার করে। ৪নং আসামী মাসুদ রানার বৈশাখী জুয়েলার্স থেকে তিনটি স্বর্ণের বোতাম, দুই জোড়া কানের দুল ও একটি আংটি উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া ৫নং আসামী তরিকুল ইসলামের তরিকুল জুয়েলার্স থেকে একটি নেকলেস, এক জোড়া বালা, একটি লকেট ও একটি রুপার আংটি উদ্ধার করা হয়েছে।আসামীরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারের মধ্যে রয়েছে ব্রঞ্জের উপর স্বর্ণের প্রলেপযুক্ত একজোড়া রুলি (ওজন ৪ আনা),এক জোড়া বালা (২ আনা),একটি আংটি (৩.৫ আনা),একটি পাটি চেইন (৩ আনা ৫ রতি),একটি ফুটবল আকৃতির লকেট (১ আনা), তিনটি স্বর্ণের বোতাম (৮ আনা),একটি নেকলেস (১ ভরি),দুই জোড়া কানের দুল (৫.৫ আনা) এবং একটি রুপার আংটি (৮ আনা)। সর্বমোট স্বর্ণের ওজন ২.৭২ ভরি, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান বর্তমানে ২নং আসামী শারমিন আক্তার শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।অন্য আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এ ব্যাপারে মিরপুর থানার ওসি সাইদুর ইসলাম বলেন মামলায় হয়েছে মামলা নং-১৫ এ আসামীকে গ্রেফতার করে আসামীদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
.png)
মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মোঃ আশিক আলী, করেসপন্ডেন্ট,মিরপুর,কুষ্টিয়া।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ গ্রামে এক গৃহবধূর বসতঘর থেকে মূল্যবান স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় পুলিশ তৎপর হয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে।গতকাল রাত পর্যন্ত পুলিশের চলমান অভিযানে চুরি যাওয়া অধিকাংশ অলংকার উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
এ ঘটনায় মিরপুর থানায় মামলা নং-১৫ (ধারা- ৪৫৭/৩৮০) রুজু করা হয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূ মোছাঃ সীমা আক্তার স্বপ্না (৩২) বাদী হয়ে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।এতে তিনি উল্লেখ করেন গত ১ লা নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তার পোড়াদহ উত্তরপাড়াস্থ বসতঘরের শয়নকক্ষে থাকা শোকেসের ড্রয়ার ভেঙে প্রায় সাড়ে ৬ লক্ষ টাকার স্বর্ণালংকার চুরি হয়।
ঘটনার সময় তিনি ও তার মেয়ে গ্রামের মধ্যে বেড়াতে গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। মিরপুর থানার ওসি জানান এজাহারে ১নং আসামী মোঃ সিহাব শেখ (২৩), ২নং আসামী মোছাঃ শারমিন আক্তার (৩০),৩নং আসামী মোঃ শাহিনুর রহমান (৪৫),৪নং আসামী মোঃ মাসুদ রানা (৪০) ও ৫নং আসামী মোঃ তরিকুল ইসলাম (২৮)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামী করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি ১নং আসামী সিহাব শেখকে অপর একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়।এ সময় ২নং আসামী শারমিন আক্তার আত্মহত্যার চেষ্টায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গতকাল ২২ শে ফেব্রুয়ারি জিজ্ঞাসাবাদের মুখে শারমিন চুরির ঘটনায় নিজের ও সিহাবের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান ৩নং আসামী শাহিনুর রহমানের নিকট কিছু অলংকার বন্ধকী রাখা হয়েছে এবং ৪নং ও ৫নং আসামীর নিকট বাকি অলংকার বিক্রয় করা হয়েছে।
পুলিশ শারমিনের তথ্যমতে অভিযান চালিয়ে ৩নং আসামীর কাছ থেকে একজোড়া রুলি ও একটি পাটি চেইন উদ্ধার করে। ৪নং আসামী মাসুদ রানার বৈশাখী জুয়েলার্স থেকে তিনটি স্বর্ণের বোতাম, দুই জোড়া কানের দুল ও একটি আংটি উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া ৫নং আসামী তরিকুল ইসলামের তরিকুল জুয়েলার্স থেকে একটি নেকলেস, এক জোড়া বালা, একটি লকেট ও একটি রুপার আংটি উদ্ধার করা হয়েছে।আসামীরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারের মধ্যে রয়েছে ব্রঞ্জের উপর স্বর্ণের প্রলেপযুক্ত একজোড়া রুলি (ওজন ৪ আনা),এক জোড়া বালা (২ আনা),একটি আংটি (৩.৫ আনা),একটি পাটি চেইন (৩ আনা ৫ রতি),একটি ফুটবল আকৃতির লকেট (১ আনা), তিনটি স্বর্ণের বোতাম (৮ আনা),একটি নেকলেস (১ ভরি),দুই জোড়া কানের দুল (৫.৫ আনা) এবং একটি রুপার আংটি (৮ আনা)। সর্বমোট স্বর্ণের ওজন ২.৭২ ভরি, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান বর্তমানে ২নং আসামী শারমিন আক্তার শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।অন্য আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এ ব্যাপারে মিরপুর থানার ওসি সাইদুর ইসলাম বলেন মামলায় হয়েছে মামলা নং-১৫ এ আসামীকে গ্রেফতার করে আসামীদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন