মিঠামইন,করেসপন্ডেন্ট,কিশোরগঞ্জ।
কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার সিহাড়া গ্রামের মতি মিয়া (৬৫) কে জবাই করে হত্যার অভিযোগে আদালতে দায়ের করা হয়েছে অভিযোগপত্র।নিহত স্ত্রীর দাবী তাদের প্রতিবেশী প্রতিপক্ষরা এ হত্যার ঘটনাটি ঘটিয়েছে।গত ৩১ শে জানুয়ারি মিঠামইন উপজেলার সিহাড়াগ্রামের মতি মিয়াকে নির্মমভাবে জবাই করে হত্যা করা হয়।হত্যার ঘটনায় পুলিশের ভয়ে সিহাড়া গ্রামের অর্ধেক পরিবার পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে।অনেকেই সপরিবারে গ্রামছাড়া। পুরুষ শূন্য পরিবারের নারীরাও রয়েছে আতংকে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সিহাড়া গ্রামের পরিবেশ একেবারে নীরব।অর্ধেক গ্রামে নেই পুরুষ।বেশকিছু ঘরবাড়িতে কোন সদস্যই নেই।কয়েক জন নাম প্রকাশ না করা শর্তে তারা জানান এলাকায় এক ব্যক্তিকে হাওরে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে ।এখন পুলিশের ভয়ে পুরুষেরা পালিয়েছে।তাই তারাও জান ও মালের নিরাপত্তায় আত্মীয় বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। পরিবেশ স্বাভাবিক হলে আবার ফিরে আসবেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানায় আধিপত্য বিস্তার,সমাজপতিদের দলাদলিতে এই গ্রামে মারামারি ও খুন খারাপি লেগেই আছে।এর আগের উভয় পক্ষের ৩ হত্যা মামলার মীমাংসা হওয়ায় এর কোন বিচার হয়নি।গত ৩১ শে জানুয়ারি ভোরে ঢাকী ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের চরের কান্দা নামক স্থান থেকে সিহাড়া গ্রামের মৃত তুতা মিয়ার ছেলে মতি মিয়ার জবাই করা লাশ উদ্ধার করা হয়।নিহত মতি মিয়ার স্ত্রী গুলবাহারের দাবী তাদের গ্রামের প্রতিবেশী প্রতিপক্ষরা জবাই করে হত্যা করেছে।
গত ৩০ শে জানুয়ারির রাতে প্রতিবেশী ইসমাইল শরিফ গং আমাদের বাড়িতে এসে ইয়াকুব মিয়ার ভেকুর পাহারাদারের কাজ দেওয়ার কথা বলে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়।মতি মিয়া সারারাত ঘরে ফিরে না আসায় তখন সকাল আনুমানিক পাঁচ টার দিকে যেখানে ভেকু রাখা হয়েছে সেখানে গিয়ে মৃত লাশ দেখতে পান।বাদীর দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিপক্ষ শাহ আলমসহ বেশ কয়েকজন মতি মিয়াকে নির্মমভাবে জবাই করছেন এবং পাশের সেচের নালাতে পুতে রেখেছেন মতি মিয়ার লাশ এমন অভিযোগ এনেছেন নিহতের স্ত্রী।
মতি মিয়ার স্ত্রী গুলবাহার জানান ঘটনার পরদিন মতি মিয়ার লাশের দাফন কাজ সেরে স্ত্রী গুলবাহার বাদী হয়ে মিঠামইন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলেও সংশ্লিষ্ট থানায় তার দেওয়া এজাহারে মামলা হয়নি।পরে বাধ্য হয়ে ৮ ই ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জ আমল গ্রহণকারী আদালতে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ পত্র দায়ের করেন।
বিজ্ঞ আদালত ঘটনাটির কোন মামলা হয়েছে কিনা তা জানতে চেয়েছে মিঠামইন থানাতে।নিহত মতির স্ত্রী স্বামীর হত্যাকান্ডের দ্রুত বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।এই ঘটনার পর পুলিশের ভয়ে গ্রামের অর্ধেক পরিবার পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে।নারীরা ও অন্য গ্রামের আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে নিরাপদে চলে যাচ্ছেন।তবে পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারিনি।ইতিমধ্যে মোহাম্মদ শাহ আলমসহ বেশ কয়েকজনের ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে পোস্টার লাগানো হয়েছে এবং ফাঁসির দাবি করা হয়েছে।
.png)
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মিঠামইন,করেসপন্ডেন্ট,কিশোরগঞ্জ।
কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার সিহাড়া গ্রামের মতি মিয়া (৬৫) কে জবাই করে হত্যার অভিযোগে আদালতে দায়ের করা হয়েছে অভিযোগপত্র।নিহত স্ত্রীর দাবী তাদের প্রতিবেশী প্রতিপক্ষরা এ হত্যার ঘটনাটি ঘটিয়েছে।গত ৩১ শে জানুয়ারি মিঠামইন উপজেলার সিহাড়াগ্রামের মতি মিয়াকে নির্মমভাবে জবাই করে হত্যা করা হয়।হত্যার ঘটনায় পুলিশের ভয়ে সিহাড়া গ্রামের অর্ধেক পরিবার পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে।অনেকেই সপরিবারে গ্রামছাড়া। পুরুষ শূন্য পরিবারের নারীরাও রয়েছে আতংকে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সিহাড়া গ্রামের পরিবেশ একেবারে নীরব।অর্ধেক গ্রামে নেই পুরুষ।বেশকিছু ঘরবাড়িতে কোন সদস্যই নেই।কয়েক জন নাম প্রকাশ না করা শর্তে তারা জানান এলাকায় এক ব্যক্তিকে হাওরে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে ।এখন পুলিশের ভয়ে পুরুষেরা পালিয়েছে।তাই তারাও জান ও মালের নিরাপত্তায় আত্মীয় বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। পরিবেশ স্বাভাবিক হলে আবার ফিরে আসবেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানায় আধিপত্য বিস্তার,সমাজপতিদের দলাদলিতে এই গ্রামে মারামারি ও খুন খারাপি লেগেই আছে।এর আগের উভয় পক্ষের ৩ হত্যা মামলার মীমাংসা হওয়ায় এর কোন বিচার হয়নি।গত ৩১ শে জানুয়ারি ভোরে ঢাকী ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের চরের কান্দা নামক স্থান থেকে সিহাড়া গ্রামের মৃত তুতা মিয়ার ছেলে মতি মিয়ার জবাই করা লাশ উদ্ধার করা হয়।নিহত মতি মিয়ার স্ত্রী গুলবাহারের দাবী তাদের গ্রামের প্রতিবেশী প্রতিপক্ষরা জবাই করে হত্যা করেছে।
গত ৩০ শে জানুয়ারির রাতে প্রতিবেশী ইসমাইল শরিফ গং আমাদের বাড়িতে এসে ইয়াকুব মিয়ার ভেকুর পাহারাদারের কাজ দেওয়ার কথা বলে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়।মতি মিয়া সারারাত ঘরে ফিরে না আসায় তখন সকাল আনুমানিক পাঁচ টার দিকে যেখানে ভেকু রাখা হয়েছে সেখানে গিয়ে মৃত লাশ দেখতে পান।বাদীর দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিপক্ষ শাহ আলমসহ বেশ কয়েকজন মতি মিয়াকে নির্মমভাবে জবাই করছেন এবং পাশের সেচের নালাতে পুতে রেখেছেন মতি মিয়ার লাশ এমন অভিযোগ এনেছেন নিহতের স্ত্রী।
মতি মিয়ার স্ত্রী গুলবাহার জানান ঘটনার পরদিন মতি মিয়ার লাশের দাফন কাজ সেরে স্ত্রী গুলবাহার বাদী হয়ে মিঠামইন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলেও সংশ্লিষ্ট থানায় তার দেওয়া এজাহারে মামলা হয়নি।পরে বাধ্য হয়ে ৮ ই ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জ আমল গ্রহণকারী আদালতে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ পত্র দায়ের করেন।
বিজ্ঞ আদালত ঘটনাটির কোন মামলা হয়েছে কিনা তা জানতে চেয়েছে মিঠামইন থানাতে।নিহত মতির স্ত্রী স্বামীর হত্যাকান্ডের দ্রুত বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।এই ঘটনার পর পুলিশের ভয়ে গ্রামের অর্ধেক পরিবার পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে।নারীরা ও অন্য গ্রামের আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে নিরাপদে চলে যাচ্ছেন।তবে পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারিনি।ইতিমধ্যে মোহাম্মদ শাহ আলমসহ বেশ কয়েকজনের ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে পোস্টার লাগানো হয়েছে এবং ফাঁসির দাবি করা হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন