মোঃ সাব্বির আহমেদ,করেসপন্ডেন্ট,লালমনিরহাট।
লালমনিরহাট সরকারি বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণের দাবিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে জেলা শহর।গতকাল রবিবার ৪ ঠা জানুয়ারি দুপুর ২টার দিকে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক আটকে বিক্ষোভ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।এতে বিদ্যালয়ের ভেতরে শিক্ষকরা কিছু সময়ের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
ঘটনার বিবরণে প্রত্যক্ষদর্শী ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে টেস্ট পরীক্ষায় এক বিষয়ে অকৃতকার্যদের শর্ত সাপেক্ষে উত্তীর্ণ করা হলেও একাধিক বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেয়নি কর্তৃপক্ষ।এর প্রতিবাদে দুপুরে দুই বিদ্যালয়ের ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সমবেত হয়ে প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয় এবং সেখানে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে।আকস্মিক এই কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা ভেতরে আটকা পড়েন।
পুলিশের হস্তক্ষেপে খবর পেয়ে লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন নিজে উপস্থিত হয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেন এবং বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।পুলিশের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।শিক্ষার্থীদের দাবি জানা গেছে লালমনিরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়: ৪৮ জন ছাত্র অকৃতকার্য।লালমনিরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়: ৪৯ জন ছাত্রী অকৃতকার্য।
শিক্ষার্থীদের দাবি বিভিন্ন সমস্যার কারণে তাদের পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হয়েছে।তারা পুনরায় টেস্ট পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত আবেদন ও জমা দিয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য সদর থানার ওসি আব্দুল মতিন জানান শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে শান্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়ম মেনেই ফলাফল দেওয়া হয়েছে,তবে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনার আলোকে পরবর্তী পদক্ষেপ বিবেচনা করা হতে পারে।
বিষয় : লালমনিরহাট সারাদেশ
.png)
সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
মোঃ সাব্বির আহমেদ,করেসপন্ডেন্ট,লালমনিরহাট।
লালমনিরহাট সরকারি বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণের দাবিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে জেলা শহর।গতকাল রবিবার ৪ ঠা জানুয়ারি দুপুর ২টার দিকে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক আটকে বিক্ষোভ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।এতে বিদ্যালয়ের ভেতরে শিক্ষকরা কিছু সময়ের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
ঘটনার বিবরণে প্রত্যক্ষদর্শী ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে টেস্ট পরীক্ষায় এক বিষয়ে অকৃতকার্যদের শর্ত সাপেক্ষে উত্তীর্ণ করা হলেও একাধিক বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেয়নি কর্তৃপক্ষ।এর প্রতিবাদে দুপুরে দুই বিদ্যালয়ের ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সমবেত হয়ে প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয় এবং সেখানে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে।আকস্মিক এই কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা ভেতরে আটকা পড়েন।
পুলিশের হস্তক্ষেপে খবর পেয়ে লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন নিজে উপস্থিত হয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেন এবং বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।পুলিশের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।শিক্ষার্থীদের দাবি জানা গেছে লালমনিরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়: ৪৮ জন ছাত্র অকৃতকার্য।লালমনিরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়: ৪৯ জন ছাত্রী অকৃতকার্য।
শিক্ষার্থীদের দাবি বিভিন্ন সমস্যার কারণে তাদের পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হয়েছে।তারা পুনরায় টেস্ট পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত আবেদন ও জমা দিয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য সদর থানার ওসি আব্দুল মতিন জানান শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে শান্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়ম মেনেই ফলাফল দেওয়া হয়েছে,তবে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনার আলোকে পরবর্তী পদক্ষেপ বিবেচনা করা হতে পারে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন