গোপালগঞ্জ করেসপন্ডেন্ট।
জেলার ৩টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানি আংশিক) আসন।এ আসনে ভোটার সংখ্যা প্রায় চার লাখ।গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে মোট চার জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন।
গতকাল শনিবার এ আসনের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। এতে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল বলে ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো : আরিফ-উজ-জামান।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যার মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে তিনি হলেন এম. আনিসুল ইসলাম।তিনি মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝুটিগ্রামের সন্তান।মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা হওয়ার পর তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
তিনি বলেন আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি সাধারনন মানুষের সেবা করার লক্ষ্যে। আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। সংসদীয় আসন গোপালগঞ্জ-১ এর সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা আমার লক্ষ্য।এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন,খাল-নদী সচল করা,ব্রীজ-কালভার্ট নির্মান,সড়কবাতি স্থাপন,নারী উন্নয়ন কল্পে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ,বয়স্ক-বিধবা ও মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা প্রদান নিশ্চিত করা,কৃষক-শ্রমিক-মৎসজীবিদের ভাগ্যন্নোয়নে কাজ করা আমার লক্ষ্য।
শিক্ষা বিস্তার এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে ভুমিকা রাখা আমার অন্যতম ইচ্ছা। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্য আমি আমার সাধ্যমতো কাজ করতে চাই। পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে,বৈষম্য কমিয়ে একটা টোটাল ব্যালন্সড সমাজ ব্যাবস্থা গড়ে তোলা আমার উদ্দেশ্য।
উত্তর আধুনিক এই যুগে আমি মানুষের দূর্দশায় পাশে দাড়াতে চাই। যেকোনো মানুষ অধিকার রক্ষায় সহায় তা চাইলে আমি তার জন্য প্রস্তুত।আমি একবার সুযোগ চাই।এসব কাজে সফল হওয়ার জন্যই আমি গোপালগঞ্জ-১ আসনের ভোটারদের ভোট ও দোয়া এবং আশীর্বাদ কামনা করি।
বিষয় : গোপালগঞ্জ নির্বাচন কোটালীপাড়া
.png)
রোববার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
গোপালগঞ্জ করেসপন্ডেন্ট।
জেলার ৩টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানি আংশিক) আসন।এ আসনে ভোটার সংখ্যা প্রায় চার লাখ।গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে মোট চার জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন।
গতকাল শনিবার এ আসনের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। এতে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল বলে ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো : আরিফ-উজ-জামান।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যার মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে তিনি হলেন এম. আনিসুল ইসলাম।তিনি মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝুটিগ্রামের সন্তান।মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা হওয়ার পর তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
তিনি বলেন আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি সাধারনন মানুষের সেবা করার লক্ষ্যে। আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। সংসদীয় আসন গোপালগঞ্জ-১ এর সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা আমার লক্ষ্য।এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন,খাল-নদী সচল করা,ব্রীজ-কালভার্ট নির্মান,সড়কবাতি স্থাপন,নারী উন্নয়ন কল্পে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ,বয়স্ক-বিধবা ও মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা প্রদান নিশ্চিত করা,কৃষক-শ্রমিক-মৎসজীবিদের ভাগ্যন্নোয়নে কাজ করা আমার লক্ষ্য।
শিক্ষা বিস্তার এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে ভুমিকা রাখা আমার অন্যতম ইচ্ছা। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্য আমি আমার সাধ্যমতো কাজ করতে চাই। পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে,বৈষম্য কমিয়ে একটা টোটাল ব্যালন্সড সমাজ ব্যাবস্থা গড়ে তোলা আমার উদ্দেশ্য।
উত্তর আধুনিক এই যুগে আমি মানুষের দূর্দশায় পাশে দাড়াতে চাই। যেকোনো মানুষ অধিকার রক্ষায় সহায় তা চাইলে আমি তার জন্য প্রস্তুত।আমি একবার সুযোগ চাই।এসব কাজে সফল হওয়ার জন্যই আমি গোপালগঞ্জ-১ আসনের ভোটারদের ভোট ও দোয়া এবং আশীর্বাদ কামনা করি।
.png)
আপনার মতামত লিখুন