তিমির বনিক,মৌলভীবাজার।
পাহাড়, হাওর,বিল, চা বাগান ও সমতল ভূমি বেষ্টিত এলাকা মৌলভীবাজারে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো তীব্র শীত। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জেলার নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষরা।শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে বৃহস্পতিবার আজ ১লা জানুয়ারি সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।গত কয়েক দিনে মধ্যে বুধবার ৩১ শে ডিসেম্বর ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস,গত মঙ্গলবার ৩০ শে ডিসেম্বর ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস,সোমবার ২৯ শে ডিসেম্বর মৌলভীবাজারে তাপমাত্রা ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।ঘন কুয়াশা থাকায় শীতের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে এবং জনজীবন শীতের দাপটে জবুথবু।
এদিকে তীব্র শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকেই কাজে যেতে হচ্ছে বোরো ধান চাষী,চা শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবিদের।তবে শ্রমিকদের পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় শীতকে উপেক্ষা করে কষ্ট করে কাজ করছেন তারা।বেশি বিপাকে পড়েছেন রিক্সা,টমটম চালক,দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ।তাদের বেশির ভাগেই খোলা আকাশের নিচে কাজ করতে হচ্ছে।
জেলায় প্রত্যন্ত এলাকায় রাতে ও সকালে শীতের কারণে গ্রাম-গঞ্জের মানুষের কষ্টে দিন কাটছে।গতকাল বুধবার সারাদিন কুয়াশাছন্ন ছিল পূর্ণ আকাশ, সূর্যের দেখা মেলেনি।একই অবস্থা বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও বজায় রয়েছে। শীত নিবারণের জন্য নিম্ন আয়ের মানুষ ফুটপাত থেকে গরম কাপড় কিনতে ব্যস্ত। তবে গত কয়েকদিন থেকেই শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে গেছে, যার কারণে দিন কাটছে অতি কষ্টের মধ্য দিয়ে।দিনের বেলায় রোদের দেখা না মিললেও শীতের তীব্রতা কমেনি।
অপর দিকে শীতের তীব্রতা বাড়ায় মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর জেনারেল হাসপাতালের বহির্বিভাগে এবং উপজেলার হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন শীতজনিত রোগীর ভিড় ও তার পাশাপাশি হাসপাতালে প্রতিদিন শিশু ও বয়স্করা ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আনিছুর রহমান বলেন আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।কয়েকদিন পর তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ায় মৃদু শৈত্য প্রবাহ বইছে।আবহাওয়ার এ অবস্থা আরও কয়েকদিন বিরাজ করবে জানান তিনি।
বিষয় : সারাদেশ সিলেট মৌলভীবাজার
.png)
সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
তিমির বনিক,মৌলভীবাজার।
পাহাড়, হাওর,বিল, চা বাগান ও সমতল ভূমি বেষ্টিত এলাকা মৌলভীবাজারে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো তীব্র শীত। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জেলার নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষরা।শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে বৃহস্পতিবার আজ ১লা জানুয়ারি সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।গত কয়েক দিনে মধ্যে বুধবার ৩১ শে ডিসেম্বর ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস,গত মঙ্গলবার ৩০ শে ডিসেম্বর ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস,সোমবার ২৯ শে ডিসেম্বর মৌলভীবাজারে তাপমাত্রা ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।ঘন কুয়াশা থাকায় শীতের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে এবং জনজীবন শীতের দাপটে জবুথবু।
এদিকে তীব্র শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকেই কাজে যেতে হচ্ছে বোরো ধান চাষী,চা শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবিদের।তবে শ্রমিকদের পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় শীতকে উপেক্ষা করে কষ্ট করে কাজ করছেন তারা।বেশি বিপাকে পড়েছেন রিক্সা,টমটম চালক,দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ।তাদের বেশির ভাগেই খোলা আকাশের নিচে কাজ করতে হচ্ছে।
জেলায় প্রত্যন্ত এলাকায় রাতে ও সকালে শীতের কারণে গ্রাম-গঞ্জের মানুষের কষ্টে দিন কাটছে।গতকাল বুধবার সারাদিন কুয়াশাছন্ন ছিল পূর্ণ আকাশ, সূর্যের দেখা মেলেনি।একই অবস্থা বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও বজায় রয়েছে। শীত নিবারণের জন্য নিম্ন আয়ের মানুষ ফুটপাত থেকে গরম কাপড় কিনতে ব্যস্ত। তবে গত কয়েকদিন থেকেই শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে গেছে, যার কারণে দিন কাটছে অতি কষ্টের মধ্য দিয়ে।দিনের বেলায় রোদের দেখা না মিললেও শীতের তীব্রতা কমেনি।
অপর দিকে শীতের তীব্রতা বাড়ায় মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর জেনারেল হাসপাতালের বহির্বিভাগে এবং উপজেলার হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন শীতজনিত রোগীর ভিড় ও তার পাশাপাশি হাসপাতালে প্রতিদিন শিশু ও বয়স্করা ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আনিছুর রহমান বলেন আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।কয়েকদিন পর তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ায় মৃদু শৈত্য প্রবাহ বইছে।আবহাওয়ার এ অবস্থা আরও কয়েকদিন বিরাজ করবে জানান তিনি।
.png)
আপনার মতামত লিখুন