পাঁচবিবিতে আম গাছে হলুদের সমারোহ,বাতাসে ছড়াচ্ছে মৌ মৌ ঘ্রাণ
মোঃ বাবুল হোসেন,পাঁচবিবি,জয়পুরহাট।জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সর্বত্রই আম গাছের ডালগুলো মুকুলে ভরে গেছে।বাতাসে ছড়াচ্ছে মৌ মৌ ঘ্রাণ।মৌমাছিরা মুকুল ফুলে বসে করছে নাচানাচি সেই সংগে মধুও সংগ্রহ করছে। আর মুকুলের ছড়ানো ঘ্রাণ পথচারীদের করছে বিমোহিত। অপরদিকে আমগাছের ফুলের সৌরভ যেন হলুদ আর সবুজের মহামিলন।মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে গাছের প্রায় প্রতিটি ডালপালা।আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে প্রকৃতি।মুকুলের সেই সুমিষ্ট সুবাস আন্দোলিত করে তুলছে আম চাষিদের মন।অন্যান্য জেলার মত এ উপজেলায় বাণিজ্যিক ভাবে বড় কোন আমের বাগান না থাকলেও বর্তমানে কিছু কিছু জায়গায় বাণিজ্যিক ভাবে আমের চাষ শুরু হয়েছে।এসব বাগান ও কাঁচা-পাকা ও গ্রামীণ রাস্তার ধার, পুকুরপাড়,বসতবাড়ীর চারপাশের ফাঁকা জায়গায় লাগানো আম বাগান মুকুলে ভরপুর দেখা যায়।উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের আম চাষী আবু জাফর বলেন বেশ কয়েক বছর আগে এক বিঘা জমিতে আমের চাষ শুরু করেছি।প্রথমদিকে তেমন লাভ হয়নি।গতবছর থেকে কিছু লাভ পাওয়া গেছে।এ বছর আম গাছে সুন্দর আমের মুকুল ধরেছে। প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ দেখা না দিলে এবার আম থেকে ভাল আয় করা যাবে।উপজেলার আয়মাজামালপুর চারমাথায় মোঃ মোস্তাক আহম্মেদ সোহেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ফাঁকা জায়গায় আম গাছের চারা রোপণ করে। আমের মুকুলে গাছের পাতা ঢেকে গেছে।সোহেল বলেন ৪'বছর আগে ব্যানানা ম্যাঙ্গো জাতের ৪'টি চারা রোপণ করেছি।গত বছরের চেয়ে এবছর গাছে অতিরিক্ত ফুল ধরেছে। আশা করি ফলন ভাল হবে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন সাধারণত হিমসাগর, গোপালভোগ, আম্রপালি, ল্যাংড়া ও ফজলি জাতের আম চাষ হয়ে থাকে।আমে প্রচুর ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।