শফিকুল ইসলাম,করেসপন্ডেন্ট,চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
পর্যাপ্ত তেল না থাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের অধিকাংশ ফুয়েল স্টেশনের যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ফুয়েল স্টেশনের ট্যাংকে অন্তত ৭৫০ লিটার জ্বালানী মজুদ রাখা বাধ্যতামূলক। তবে চলমান জ্বালানী সংকটের কারণে অনেক স্টেশন মালিক সেই নির্দেশনা মানছেন না বলে জানিয়েছেন বিএসটিআই এর রাজশাহী বিভাগীয় সহকারী পরিচালক আজিজুল হাকিম।আজ মঙ্গলবার ৩১ শে মার্চ বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিশ্বরোড মোড়ে মেসার্স হোসেন পেট্রোলিয়াম- ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন "ফুয়েল স্টেশনের ট্যাংকে অন্তত ৭৫০ লিটার জ্বালানি মজুদ থাকা বাধ্যতামূলক।এমন পরিস্থিতিতে তেল উত্তলন করলে ওজনে কম পাওয়া যাবে এবং পাম্পের যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। তাই আমরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছি এবং স্টেশন মালিকদের সতর্ক করছি। তবে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হলে সরবরাহ সংকট কমানো এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় করা জরুরি।
জ্বালানির প্রয়োজনীয় মজুদ রেখেও প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ভোগ করতে হচ্ছে। একদিকে জ্বালানীর সংকট, অন্যদিকে প্রশাসনিক চাপ এই দুই কারণে তারা মারাত্মক চাপে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন পাম্প মালিকরা।
বিষয় : সারাদেশ রাজশাহী চাপাইনবাবগঞ্জ
.png)
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
শফিকুল ইসলাম,করেসপন্ডেন্ট,চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
পর্যাপ্ত তেল না থাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের অধিকাংশ ফুয়েল স্টেশনের যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ফুয়েল স্টেশনের ট্যাংকে অন্তত ৭৫০ লিটার জ্বালানী মজুদ রাখা বাধ্যতামূলক। তবে চলমান জ্বালানী সংকটের কারণে অনেক স্টেশন মালিক সেই নির্দেশনা মানছেন না বলে জানিয়েছেন বিএসটিআই এর রাজশাহী বিভাগীয় সহকারী পরিচালক আজিজুল হাকিম।আজ মঙ্গলবার ৩১ শে মার্চ বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিশ্বরোড মোড়ে মেসার্স হোসেন পেট্রোলিয়াম- ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন "ফুয়েল স্টেশনের ট্যাংকে অন্তত ৭৫০ লিটার জ্বালানি মজুদ থাকা বাধ্যতামূলক।এমন পরিস্থিতিতে তেল উত্তলন করলে ওজনে কম পাওয়া যাবে এবং পাম্পের যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। তাই আমরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছি এবং স্টেশন মালিকদের সতর্ক করছি। তবে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হলে সরবরাহ সংকট কমানো এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় করা জরুরি।
জ্বালানির প্রয়োজনীয় মজুদ রেখেও প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ভোগ করতে হচ্ছে। একদিকে জ্বালানীর সংকট, অন্যদিকে প্রশাসনিক চাপ এই দুই কারণে তারা মারাত্মক চাপে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন পাম্প মালিকরা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন