কিশোরগঞ্জ করেসপন্ডেন্ট।
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের চমকপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৩০) নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকার পর ও ঐ আসামি এখনো গ্রেফতার হয়নি বলে বাদি জানিয়েছেন।
জানা গেছে মিঠামইনের চমকপুর গ্রামের পশ্চিম হাটির মেরাজ মিয়ার মেয়ে শারমিন আক্তার জলি এবং একই গ্রামের হারিজ মিয়ার ছেলে সাইফুলের সাথে বিয়ে হয়।সংসার জীবনে তাদের দুটি সন্তান রয়েছে।কিন্তু সংসার জীবনে তাদের ঝগড়াঝাঁটি লেগেই থাকতো যৌতুকের জন্য।বাবার কাছ থেকে বারবার যৌতুক দিতে ব্যর্থ হয় সাইফুলের স্ত্রী জলি।এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে লম্পট সাইফুল আরেকটি বিয়ে করে।
পরে মেরাজ মিয়ার মেয়ে জলি যৌতুক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে কিশোরগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালত ১ এ পিটিশন মামলা দায়ের করেন।মামলা নাং ২৩/২০২৪। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে মিঠামইন থানা তদন্ত শেষে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন ।আসামি সাইফুল আদালতে আত্মসমর্পণ না করাই বিজ্ঞ আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।অতিশিঘ্রই এই আসামিকে গ্রেফতার করে কোর্টে সোপর্দ না করলে আইনের প্রতি মানুষ শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলবে।তাই অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করার দাবি এলাকাবাসীর ও।
.png)
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
কিশোরগঞ্জ করেসপন্ডেন্ট।
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের চমকপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৩০) নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকার পর ও ঐ আসামি এখনো গ্রেফতার হয়নি বলে বাদি জানিয়েছেন।
জানা গেছে মিঠামইনের চমকপুর গ্রামের পশ্চিম হাটির মেরাজ মিয়ার মেয়ে শারমিন আক্তার জলি এবং একই গ্রামের হারিজ মিয়ার ছেলে সাইফুলের সাথে বিয়ে হয়।সংসার জীবনে তাদের দুটি সন্তান রয়েছে।কিন্তু সংসার জীবনে তাদের ঝগড়াঝাঁটি লেগেই থাকতো যৌতুকের জন্য।বাবার কাছ থেকে বারবার যৌতুক দিতে ব্যর্থ হয় সাইফুলের স্ত্রী জলি।এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে লম্পট সাইফুল আরেকটি বিয়ে করে।
পরে মেরাজ মিয়ার মেয়ে জলি যৌতুক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে কিশোরগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালত ১ এ পিটিশন মামলা দায়ের করেন।মামলা নাং ২৩/২০২৪। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে মিঠামইন থানা তদন্ত শেষে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন ।আসামি সাইফুল আদালতে আত্মসমর্পণ না করাই বিজ্ঞ আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।অতিশিঘ্রই এই আসামিকে গ্রেফতার করে কোর্টে সোপর্দ না করলে আইনের প্রতি মানুষ শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলবে।তাই অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করার দাবি এলাকাবাসীর ও।
.png)
আপনার মতামত লিখুন