তুষার কান্তি হাওলাদার বরগুনা।
বরগুনার তালতলীতে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ২২ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের একটি কোরাল মাছ। পরে মাছটি ১৯ হাজার ১২৫ টাকায় বিক্রি করা হয়।গতকাল শনিবার ২১ শে ফেব্রুয়ারী সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ফকিরহাট এলাকার জেলে মান্নান খানের জালে মাছটি ধরা পড়ে।
জানা যায় গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার ফকিরহাট সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনায় মাছ ধরার জন্য নদীতে জাল ফেলেন জেলে মান্নান খান।পরে আজ সকালে শনিবার জাল তুলতে গিয়ে ২২ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের একটি কোরাল মাছ আটকে থাকতে দেখেন।এরপর মাছটি তালতলী বাজারে নিয়ে মৎস্য ব্যবসায়ী শহিদুল হক তালুকদারের আড়তে উন্মুক্ত ডাকের মাধ্যমে কেজি প্রতি ৮৫০ টাকা দরে মাছটির দাম হাঁকানো হয়। এসময় স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ বশির মৃধা মাছটি ১৯ হাজার ১২৫ টাকায় ক্রয় করে নেন।
মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান মাছটির রং কিছুটা সাদাটে হয়ে যাওয়ায় প্রত্যাশিত দাম পাওয়া যায়নি। মাছটি আরও সতেজ থাকলে এর দাম ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হতো।
তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন ‘সরকার বিভিন্ন সময় সাগর এবং নদ-নদীতে মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে।একইসাথে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ থাকার ফলে নদীতে মাছ বেড়েছে।এর সুফল হিসেবেই এত বড় কোরাল মাছ নদীতে ধরা পড়েছে"।
.png)
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তুষার কান্তি হাওলাদার বরগুনা।
বরগুনার তালতলীতে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ২২ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের একটি কোরাল মাছ। পরে মাছটি ১৯ হাজার ১২৫ টাকায় বিক্রি করা হয়।গতকাল শনিবার ২১ শে ফেব্রুয়ারী সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ফকিরহাট এলাকার জেলে মান্নান খানের জালে মাছটি ধরা পড়ে।
জানা যায় গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার ফকিরহাট সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনায় মাছ ধরার জন্য নদীতে জাল ফেলেন জেলে মান্নান খান।পরে আজ সকালে শনিবার জাল তুলতে গিয়ে ২২ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের একটি কোরাল মাছ আটকে থাকতে দেখেন।এরপর মাছটি তালতলী বাজারে নিয়ে মৎস্য ব্যবসায়ী শহিদুল হক তালুকদারের আড়তে উন্মুক্ত ডাকের মাধ্যমে কেজি প্রতি ৮৫০ টাকা দরে মাছটির দাম হাঁকানো হয়। এসময় স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ বশির মৃধা মাছটি ১৯ হাজার ১২৫ টাকায় ক্রয় করে নেন।
মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান মাছটির রং কিছুটা সাদাটে হয়ে যাওয়ায় প্রত্যাশিত দাম পাওয়া যায়নি। মাছটি আরও সতেজ থাকলে এর দাম ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হতো।
তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন ‘সরকার বিভিন্ন সময় সাগর এবং নদ-নদীতে মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে।একইসাথে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ থাকার ফলে নদীতে মাছ বেড়েছে।এর সুফল হিসেবেই এত বড় কোরাল মাছ নদীতে ধরা পড়েছে"।
.png)
আপনার মতামত লিখুন