বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক নাসা নিউজ।
দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন এক বিএনপি কর্মী।ঘটনাটি ঘটেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকার শেখটোলা গ্রামে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার স্ত্রীকে তালাক দেন বিএনপি কর্মী সৈবুর।
তালাকপ্রাপ্ত ঐ নারীর নাম তারাফুল খাতুন।স্বামী সৈবুর রহমান স্থানীয় বিএনপির এক কর্মী বলে জানা গেছে।তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।এ অবস্থায় সন্তানদের নিয়ে তারাফুল খাতুন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে তারাফুল খাতুন জানান আমি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়েছি।পরদিন আমার নাতির জন্য এলাকার বাচ্চাদের খিচুড়ি রান্না করে খাওয়াইছি।এতে আমার স্বামী মনে করেছে দাঁড়িপাল্লা জিতে যাওয়ায় আমি সবাইকে খিচুড়ি খাওয়াইছি।এ কারণে তিনি আমাকে তালাক দিয়েছেন।
তিনি বলেন আমার স্বামী বিএনপি করেন।ভোটের আগে আমার স্বামী কোন প্রতীকে ভোট দিতে হবে আমাকে সে বিষয়ে কোনো কিছু বলেননি।আমি আগেও জামায়াতের বিভিন্ন প্রোগ্রামে গেছি,যা আমার স্বামীও জানতেন। কিন্তু মানুষজনের কথা শুনে তিনি আমাকে তালাক দিয়েছেন।আমার যে মান-সম্মান নষ্ট হয়েছে, আমি তার সাথে আর সংসার করতে চাই না।
তারাফুলের ছেলে তারিফ হোসেন বলেন আমরা এখন আমার ফুফুর বাড়িতে আছি।মাকে তালাক দেওয়ার পর আমার বাবা আমার সাথে যোগাযোগ করে ভুল স্বীকার করেন।কিন্তু আমার মা আর বাবার সংসারে ফিরতে চান না।
তারাফুলের স্বামী সৈবুর রহমান বলেন আমার ভুল হয়ে গেছে।রাগের মাথায় বউকে তালাক দিয়ে দিয়েছি।এখন লোক লাগিয়েছি তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য।
এ ঘটনায় জামায়াতের শিবগঞ্জ পৌর নায়েবে আমির আব্দুল আজিজ মাহমুদ বলেন দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার জন্য যেহেতু তারাফুল খাতুনকে তালাক দেওয়া হয়েছে সেহেতু দল তার সব প্রয়োজনে পাশে থাকবে।পাশাপাশি বিষয়টি সুরাহা করা যায় কিনা সে বিষয় চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বিষয় : জামায়াত সারাদেশ রাজশাহী চাঁপাইনবাবগঞ্জ
.png)
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক নাসা নিউজ।
দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন এক বিএনপি কর্মী।ঘটনাটি ঘটেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকার শেখটোলা গ্রামে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার স্ত্রীকে তালাক দেন বিএনপি কর্মী সৈবুর।
তালাকপ্রাপ্ত ঐ নারীর নাম তারাফুল খাতুন।স্বামী সৈবুর রহমান স্থানীয় বিএনপির এক কর্মী বলে জানা গেছে।তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।এ অবস্থায় সন্তানদের নিয়ে তারাফুল খাতুন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে তারাফুল খাতুন জানান আমি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়েছি।পরদিন আমার নাতির জন্য এলাকার বাচ্চাদের খিচুড়ি রান্না করে খাওয়াইছি।এতে আমার স্বামী মনে করেছে দাঁড়িপাল্লা জিতে যাওয়ায় আমি সবাইকে খিচুড়ি খাওয়াইছি।এ কারণে তিনি আমাকে তালাক দিয়েছেন।
তিনি বলেন আমার স্বামী বিএনপি করেন।ভোটের আগে আমার স্বামী কোন প্রতীকে ভোট দিতে হবে আমাকে সে বিষয়ে কোনো কিছু বলেননি।আমি আগেও জামায়াতের বিভিন্ন প্রোগ্রামে গেছি,যা আমার স্বামীও জানতেন। কিন্তু মানুষজনের কথা শুনে তিনি আমাকে তালাক দিয়েছেন।আমার যে মান-সম্মান নষ্ট হয়েছে, আমি তার সাথে আর সংসার করতে চাই না।
তারাফুলের ছেলে তারিফ হোসেন বলেন আমরা এখন আমার ফুফুর বাড়িতে আছি।মাকে তালাক দেওয়ার পর আমার বাবা আমার সাথে যোগাযোগ করে ভুল স্বীকার করেন।কিন্তু আমার মা আর বাবার সংসারে ফিরতে চান না।
তারাফুলের স্বামী সৈবুর রহমান বলেন আমার ভুল হয়ে গেছে।রাগের মাথায় বউকে তালাক দিয়ে দিয়েছি।এখন লোক লাগিয়েছি তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য।
এ ঘটনায় জামায়াতের শিবগঞ্জ পৌর নায়েবে আমির আব্দুল আজিজ মাহমুদ বলেন দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার জন্য যেহেতু তারাফুল খাতুনকে তালাক দেওয়া হয়েছে সেহেতু দল তার সব প্রয়োজনে পাশে থাকবে।পাশাপাশি বিষয়টি সুরাহা করা যায় কিনা সে বিষয় চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন