স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক নাসা নিউজ।
বিগত ১৫ বছর ধরে মানুষের ভোটের অধিকার হরণকারী দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনতে দেশের প্রতিটি মানুষকে ৫ আগস্টের মতো রাজপথে ও ভোট কেন্দ্রে নামতে হবে।বলেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।আজ শনিবার ৩১ শে জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইলে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন আগামী ১২ তারিখ কেবল একটি নির্বাচনের দিন নয়,এটি বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের দিন।গত ১৫ বছর যারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল,তাদের দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে দেশের প্রতিটি মানুষকে ৫ ই আগস্টের মতো রাজপথে ও ভোট কেন্দ্রে সক্রিয় হতে হবে।টাঙ্গাইলের স্থানীয় অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন টাঙ্গাইল শাড়ি আমাদের গর্ব।গার্মেন্টস পণ্যের মতো টাঙ্গাইলের শাড়িও যেন বিশ্ব বাজারে রপ্তানি করা যায় সে উদ্যোগ নেবে বিএনপি।টাঙ্গাইলকে একটি পরিকল্পিত শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
তিনি বলেন এ অঞ্চলে উৎপাদিত আনারস প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানি করা হবে এবং ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পকে আধুনিক পরিকল্পনার আওতায় এনে পুনরুজ্জীবিত করা হবে।সরকার গঠন করলে বিএনপির ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন বিএনপি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চায়। মা-বোনদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হবে।এছাড়া খতিব, ইমাম,মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য সরকারি সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে।
ভোটের সুরক্ষা নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তিনি বলেন ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ ভোটাধিকার কেড়ে নিতে পারবে না।এখনো কেউ কেউ বাড়ি বাড়ি গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।বিশেষ করে নারী ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে যাবেন।প্রয়োজনে জামাতে নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়াবেন।ভোট দিয়ে চলে গেলেই হবে না,ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত ভোট কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে-যেন কেউ আপনার ভোট অন্যভাবে ব্যবহার করতে না পারে।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন গত কয়েক বছরে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে।এই অবস্থার আমূল পরিবর্তন দরকার।মনে রাখতে হবে,এ দেশ কোনো দলের নয়,কোনো ব্যক্তির নয়-এ দেশ জনগণের।
.png)
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক নাসা নিউজ।
বিগত ১৫ বছর ধরে মানুষের ভোটের অধিকার হরণকারী দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনতে দেশের প্রতিটি মানুষকে ৫ আগস্টের মতো রাজপথে ও ভোট কেন্দ্রে নামতে হবে।বলেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।আজ শনিবার ৩১ শে জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইলে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন আগামী ১২ তারিখ কেবল একটি নির্বাচনের দিন নয়,এটি বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের দিন।গত ১৫ বছর যারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল,তাদের দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে দেশের প্রতিটি মানুষকে ৫ ই আগস্টের মতো রাজপথে ও ভোট কেন্দ্রে সক্রিয় হতে হবে।টাঙ্গাইলের স্থানীয় অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন টাঙ্গাইল শাড়ি আমাদের গর্ব।গার্মেন্টস পণ্যের মতো টাঙ্গাইলের শাড়িও যেন বিশ্ব বাজারে রপ্তানি করা যায় সে উদ্যোগ নেবে বিএনপি।টাঙ্গাইলকে একটি পরিকল্পিত শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
তিনি বলেন এ অঞ্চলে উৎপাদিত আনারস প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে রপ্তানি করা হবে এবং ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্পকে আধুনিক পরিকল্পনার আওতায় এনে পুনরুজ্জীবিত করা হবে।সরকার গঠন করলে বিএনপির ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন বিএনপি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চায়। মা-বোনদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হবে।এছাড়া খতিব, ইমাম,মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য সরকারি সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে।
ভোটের সুরক্ষা নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তিনি বলেন ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ ভোটাধিকার কেড়ে নিতে পারবে না।এখনো কেউ কেউ বাড়ি বাড়ি গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।বিশেষ করে নারী ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে যাবেন।প্রয়োজনে জামাতে নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়াবেন।ভোট দিয়ে চলে গেলেই হবে না,ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত ভোট কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে-যেন কেউ আপনার ভোট অন্যভাবে ব্যবহার করতে না পারে।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন গত কয়েক বছরে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে।এই অবস্থার আমূল পরিবর্তন দরকার।মনে রাখতে হবে,এ দেশ কোনো দলের নয়,কোনো ব্যক্তির নয়-এ দেশ জনগণের।
.png)
আপনার মতামত লিখুন