তুষার কান্তি হাওলাদার পাথরঘাটা বরগুনা।
পাথরঘাটা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় দুর্নীতির এক ভয়াবহ চিত্র উন্মোচিত হয়েছে।২০২৪-২০২৫ ইং অর্থ বছরের উন্নয়ন প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা কাজ না করেই পকেটে তোলার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে ৪ জন মেম্বারের বিরুদ্ধে।অভিযুক্ত আসামিরা হলেন- মোঃ ছগির মেম্বার,মোঃ শাহ আলম মেম্বার,মোঃ আলামিন মেম্বার এবং পলি মেম্বার।অনুসন্ধানে জানা গেছে টিআর,কাবিখা,কাবিটা,এডিপি এবং উন্নয়ন তহবিলের ১ শতাংশ বরাদ্দের আওতায় নেওয়া প্রকল্পগুলোতে কোনো কাজই করা হয়নি। অথচ ভুয়া ভাউচার জমা দিয়ে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বরগুনা জেলা প্রশাসক,ডিডিএলজি এবং দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় পৃথক তদন্ত পরিচালনা করে।প্রতিটি তদন্তেই দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে।অবাক করার বিষয় হলো প্রশাসনিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও অভিযুক্তরা রাজনৈতিক প্রভাব এবং অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।বিশেষ করে শাহ আলম মেম্বারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে যে নিজের বাড়ির সামনের মসজিদে কোনো কাজ না করেই প্রায় ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ এনে ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করার চেষ্টা চললেও বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পটুয়াখালী কার্যালয়ে এই চার মেম্বারের বিরুদ্ধে গভীর তদন্ত চলছে।স্থানীয়দের অভিযোগ বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার সুযোগ নিয়ে মেম্বাররা ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের নতুন বরাদ্দ থেকেও পূর্বের মতোই লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছেন।সাধারণ মানুষের প্রশ্ন-তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পরও কেন এই 'লুটেরা সিন্ডিকেট' এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে? দুর্নীতিবাজদের এখনই অপসারণ করে আইনের আওতায় না আনলে সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা মুখ থুবড়ে পড়বে।
.png)
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
তুষার কান্তি হাওলাদার পাথরঘাটা বরগুনা।
পাথরঘাটা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় দুর্নীতির এক ভয়াবহ চিত্র উন্মোচিত হয়েছে।২০২৪-২০২৫ ইং অর্থ বছরের উন্নয়ন প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা কাজ না করেই পকেটে তোলার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে ৪ জন মেম্বারের বিরুদ্ধে।অভিযুক্ত আসামিরা হলেন- মোঃ ছগির মেম্বার,মোঃ শাহ আলম মেম্বার,মোঃ আলামিন মেম্বার এবং পলি মেম্বার।অনুসন্ধানে জানা গেছে টিআর,কাবিখা,কাবিটা,এডিপি এবং উন্নয়ন তহবিলের ১ শতাংশ বরাদ্দের আওতায় নেওয়া প্রকল্পগুলোতে কোনো কাজই করা হয়নি। অথচ ভুয়া ভাউচার জমা দিয়ে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বরগুনা জেলা প্রশাসক,ডিডিএলজি এবং দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় পৃথক তদন্ত পরিচালনা করে।প্রতিটি তদন্তেই দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে।অবাক করার বিষয় হলো প্রশাসনিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও অভিযুক্তরা রাজনৈতিক প্রভাব এবং অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।বিশেষ করে শাহ আলম মেম্বারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে যে নিজের বাড়ির সামনের মসজিদে কোনো কাজ না করেই প্রায় ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ এনে ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করার চেষ্টা চললেও বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পটুয়াখালী কার্যালয়ে এই চার মেম্বারের বিরুদ্ধে গভীর তদন্ত চলছে।স্থানীয়দের অভিযোগ বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার সুযোগ নিয়ে মেম্বাররা ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের নতুন বরাদ্দ থেকেও পূর্বের মতোই লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছেন।সাধারণ মানুষের প্রশ্ন-তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পরও কেন এই 'লুটেরা সিন্ডিকেট' এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে? দুর্নীতিবাজদের এখনই অপসারণ করে আইনের আওতায় না আনলে সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা মুখ থুবড়ে পড়বে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন