বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Daily Nasa News

কুড়িগ্রামে এলপিজি গ্যাসের দাম দ্বিগুণ,তবু মিলছে না গ্যাস

কুড়িগ্রামে এলপিজি গ্যাসের দাম দ্বিগুণ,তবু মিলছে না গ্যাস
কুড়িগ্রামে এলপিজি গ্যাসের দাম দ্বিগুণ,তবু মিলছে না গ্যাস

মোঃ মশিউর রহমান বিপুল,কুড়িগ্রাম। 

কুড়িগ্রামের মানুষ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ হোটেলে, রেস্তোরা,বাসা-বাড়ি ও পরিবহনে এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করেন।এছাড়া বহুদিন ধরে রান্নার জন্য কুড়িগ্রাম বাসীর প্রধান ভরসা সিলিন্ডার গ্যাস।কিন্তু গত ১-২ সপ্তাহ থেকে বাড়তি দামেও সঠিক সময়ে গ্যাস মিলছে না।এদিকে সরকারি দাম ১ হাজার ৩ শত ৬ টাকা হলেও ডিলার পয়েন্ট থেকে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ৩ শত থেকে ৫ শত টাকা বেশিতে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদরের এিমোহনী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানা বলেন গত কয়েক দিন থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম  অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে হিমশিম খাচ্ছি।কিন্তু না কিনি উপায় নাই বাড়িতে রান্না বান্না করবে কী দিয়ে।কুড়িগ্রাম পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা রতন চন্দ্র  বলেন শহরে বসবাস করি বর্তমানে গ্যাস সংকটে পরিবারের রান্না করতে সমস্যা হচ্ছে। মাঝে মধ্যে টাকা দিয়েও গ্যাস সিলিন্ডার পাচ্ছি না।

অপরদিকে কুড়িগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ শাপলা চত্বরে  জান্নাত হোটেলের মালিক মুন্না  বলেন গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।কিন্তু সেই তুলনায় তো খাবারের দাম বাড়াতে পারছি।বর্তমানে ব্যবসা করতে একটু লোকসান গুনতে হয়।কুড়িগ্রাম শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও যমুনা গ্যাসের ডিলার বদরুল আহসান মামুন জানান চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরো জানান  ক্রয় মূল্যের সাথে পরিবহন খরচ ও স্বাভাবিক কিছু মুনাফা যোগ দিয়ে বিক্রি করছি।এতে আগের দামের তুলনায় সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। 

গ্যাস সংকটে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি বন্ধে অভিযানে নেমেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।এবিষয়ে  কুড়িগ্রাম ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ শেখ সাদী জানান প্রতিদিন আমরা অভিযান চলমান রেখেছি।এছাড়া যে সমস্ত ব্যবসায়ী বাজার সিন্ডিকেট তৈরি করে বর্তমান মুল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে,তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।


বিষয় : অর্থনীতি ব্যাবসা কুড়িগ্রাম

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
Daily Nasa News

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


কুড়িগ্রামে এলপিজি গ্যাসের দাম দ্বিগুণ,তবু মিলছে না গ্যাস

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

মোঃ মশিউর রহমান বিপুল,কুড়িগ্রাম। 

কুড়িগ্রামের মানুষ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ হোটেলে, রেস্তোরা,বাসা-বাড়ি ও পরিবহনে এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করেন।এছাড়া বহুদিন ধরে রান্নার জন্য কুড়িগ্রাম বাসীর প্রধান ভরসা সিলিন্ডার গ্যাস।কিন্তু গত ১-২ সপ্তাহ থেকে বাড়তি দামেও সঠিক সময়ে গ্যাস মিলছে না।এদিকে সরকারি দাম ১ হাজার ৩ শত ৬ টাকা হলেও ডিলার পয়েন্ট থেকে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ৩ শত থেকে ৫ শত টাকা বেশিতে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদরের এিমোহনী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানা বলেন গত কয়েক দিন থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম  অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে হিমশিম খাচ্ছি।কিন্তু না কিনি উপায় নাই বাড়িতে রান্না বান্না করবে কী দিয়ে।কুড়িগ্রাম পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা রতন চন্দ্র  বলেন শহরে বসবাস করি বর্তমানে গ্যাস সংকটে পরিবারের রান্না করতে সমস্যা হচ্ছে। মাঝে মধ্যে টাকা দিয়েও গ্যাস সিলিন্ডার পাচ্ছি না।

অপরদিকে কুড়িগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ শাপলা চত্বরে  জান্নাত হোটেলের মালিক মুন্না  বলেন গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।কিন্তু সেই তুলনায় তো খাবারের দাম বাড়াতে পারছি।বর্তমানে ব্যবসা করতে একটু লোকসান গুনতে হয়।কুড়িগ্রাম শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও যমুনা গ্যাসের ডিলার বদরুল আহসান মামুন জানান চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরো জানান  ক্রয় মূল্যের সাথে পরিবহন খরচ ও স্বাভাবিক কিছু মুনাফা যোগ দিয়ে বিক্রি করছি।এতে আগের দামের তুলনায় সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। 

গ্যাস সংকটে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি বন্ধে অভিযানে নেমেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।এবিষয়ে  কুড়িগ্রাম ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ শেখ সাদী জানান প্রতিদিন আমরা অভিযান চলমান রেখেছি।এছাড়া যে সমস্ত ব্যবসায়ী বাজার সিন্ডিকেট তৈরি করে বর্তমান মুল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে,তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।



Daily Nasa News

Editor & Publisher: Shariful Islam
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Nasa News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত