প্রিন্ট এর তারিখ : ২০ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে গলা কেটে হত্যা
||
বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক নাসা নিউজ। রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।এর আগে সোহেলের স্ত্রীকে ঘটনার পর পর পুলিশ আটক করে।আজ মঙ্গলবার ১৯ ই মে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানিয়েছেন।আজ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নাম্বার সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির ৩ তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খন্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।পুলিশ জানায় শিশুর বিচ্ছিন্ন মাথা বাথরুমে পাওয়া যায়। শরীরের মূল অংশটি খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।সোহেল রানা ওই কক্ষে দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ঘটনার পর তিনি বাথরুমের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে ওই বাসা থেকে তাঁর স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়।পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান শিশুটির নিখোঁজের এক ঘণ্টার মধ্যেই পাশের ফ্ল্যাট থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে তাকে হত্যা করা হয়।রামিসার চাচা এ কে এম নজরুল ইসলাম জানান সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড় বোন রাইসার সঙ্গে রামিসার স্কুলে যাওয়ার কথা। হঠাৎই রামিসাকে পাওয়া যাচ্ছিল না।তাঁর মা পারভীন ফ্ল্যাটের দরজার বাইরে দেখেন রামিসার পায়ের একটি জুতা পড়ে আছে। তখন পাশের ফ্ল্যাটের দরজায় নক করেন।ভেতর থেকে বন্ধ দরজাটি তখন খোলা হচ্ছিল না। অনেক সময় ধরে নক করা হলেও দরজা খোলা হয়নি।এতে সন্দেহ আরও বাড়ে। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে রামিসার লাশ পায়।রামিসা স্থানীয় একটি স্কুলে ২য় শ্রেণিতে পড়ত। তাঁর বাবার নাম আবদুল হান্নান মোল্লা।তিনি একটি রিকুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। মায়ের নাম পারভীন আক্তার।তাঁদের দুই মেয়ের মধ্যে রামিসা ছোট।বড় মেয়ে রাইসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়ে।
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Nasa News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত