প্রিন্ট এর তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
মধ্য-প্রাচ্যের আকাশে আবারও আতঙ্ক,জ্বলছে কুয়েত বিমানবন্দর
||
আন্তর্জাতিক ডেস্ক,দৈনিক নাসা নিউজ। মধ্য-প্রাচ্যের আকাশে আবারও আতঙ্ক-একটি ড্রোন,তারপর বিস্ফোরণ,আর মুহূর্তেই আগুনে জ্বলতে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এবার কুয়েতের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে উঠেছে নতুন টার্গেট।কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ ড্রোন হামলার পর জ্বালানি সংরক্ষণাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কুয়েতি কর্তৃপক্ষের দাবি এই হামলা চালিয়েছে ইরান।হামলার পর বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকগুলোতে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী,ড্রোন হামলায় জ্বালানি ডিপোতে বড় ধরনের আগুন লাগে।একই তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা কুনা।প্রতিবেদন অনুযায়ী,হামলায় জ্বালানি ট্যাংকগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।একই দিনে পাশের দেশ বাহরাইন-এও অনুরূপ হামলার খবর এসেছে।দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে ড্রোন হামলার পর একটি কোম্পানির স্থাপনায় আগুন নেভাতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস।এদিকে আল জাজিরা-এর খবরে বলা হয়েছে,ইরান এবং তাদের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলায় কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।কুয়েতের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশনের মুখপাত্র আবদুল্লাহ আল-রাজহি বলেন হামলার লক্ষ্য ছিল বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকগুলো।এতে দ্রুত বড় ধরনের আগুন ছড়িয়ে পড়ে।তিনি জানান জরুরি সেবা দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং এখন পর্যন্ত শুধু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে,প্রাণহানির কোনো খবর নেই।চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান উত্তেজনার মধ্যে এর আগেও একাধিকবার কুয়েতের এই বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে।কুয়েতি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে আগের হামলাগুলোতে কয়েকজন আহত হন এবং যাত্রী টার্মিনালে ও ক্ষতি হয়।বর্তমানে কুয়েত সিটিতে প্রায় প্রতিদিনই ড্রোন হামলার সতর্ক সংকেত শোনা যাচ্ছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এটি যেন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এর আগে এক হামলায় বিমানবন্দরের রাডার ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।সব মিলিয়ে,অঞ্চল জুড়ে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে-যা বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কাকেই আরও জোরালো করে তুলছে।
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Nasa News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত