প্রিন্ট এর তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
হজ্ব পালনের জন্য ৭৬ হাজার ৫৮০ জন বাংলাদেশি হজ্ব যাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন
||
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক নাসা নিউজ।চলতি বছর পবিত্র হজ্ব পালনের জন্য মোট ৭৬ হাজার ৫৮০ জন বাংলাদেশি হজ্ব যাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।এ বছর বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ্ব যাত্রীকে হজ পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রায় পুরো কোটা পূরণের কাছাকাছি নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান নিবন্ধন সম্পন্ন করা হজ্ব যাত্রীদের মধ্যে ৭২ হাজার ৩৪৪ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৪ হাজার ২৬০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৬ সালে হজ্ব পালনের প্রস্তুতি নিয়েছেন।সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত হজ্ব যাত্রীদের তথ্য ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোঃ আবুবকর সিদ্দীক জানান সাধারণ হজ্ব যাত্রীদের পাশাপাশি মেডিকেল টিম,হজ্ব গাইড,প্রশাসনিক এবং কারিগরি দলও সৌদি আরবে যাবেন হজ্ব যাত্রীদের সহায়তার জন্য। এসব দলের তালিকা সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।অনুমোদন শেষে তাঁদের যাত্রা ও দায়িত্ব বণ্টনের চূড়ান্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৬ ইং সালের হজ্ব যাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করার শেষ সময় ছিল ২০২৫ইং সালের ১৬ ইং অক্টোবর।একই বছরের ২৭ শে জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে হজ্ব নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করায় হজ্ব ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় হজ্ব এজেন্সি ও এয়ারলাইনসগুলোকে হজ্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সব নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছে।জানানো হয়েছে ২০২৬ ইং সালের হজ্ব যাত্রীদের বহনকারী ফ্লাইট আগামী ১৮ ই এপ্রিল থেকে শুরু হবে।সৌদি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,সকল হজ্ব যাত্রীর জন্য মেডিকেল ফিটনেস সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন হজ্ব যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে স্বাস্থ্য সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।দীর্ঘ সময়ের ইবাদত ও ভিড়ের মধ্যে অবস্থানের কারণে হজ্ব যাত্রীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সতর্কতা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।হজ্ব যাত্রীরা ই-হজ্ব সিস্টেম, লাব্বাইক মোবাইল অ্যাপ,ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার,ইসলামী ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা অফিস,বায়তুল মুকাররম হজ্ব অফিস এবং আশকোনা হজ্ব অফিসের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করা হয়েছে।বাংলাদেশি হজ্ব যাত্রী বহনের দায়িত্বে থাকবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস,সৌদিয়া এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স।নির্দেশনা অনুযায়ী,হজ্ব এজেন্সিগুলোকে প্রি-হজ্ব ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে মোট হজ্ব যাত্রীর ২০ শতাংশ পাঠাতে হবে।বাকি হজ্ব যাত্রীদের প্রথম ও শেষ পর্যায়ের ফ্লাইটে পাঠানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে কোনো এজেন্সি প্রি-হজ্ব ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়ে ৩০ শতাংশের কম এবং ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করতে পারবে না।নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে টিকিট ইস্যু ও ফ্লাইট পরিচালনা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Nasa News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত